মঙ্গলবার, ২ মার্চ ২০২১, ১৭ ফাল্গুন ১৪২৭ , ১৮ রজব ১৪৪২

দেশ

করোনার মধ্যেই রেল চালুর প্রস্তুতি

নিউজজি প্রতিবেদক ২৯ এপ্রিল, ২০২০, ২০:২১:৫০

  • ছবি: ফাইল

ঢাকা: সারাদেশে করোনার মহামারি ছড়াতে শুরু করলে প্রথমেই বিচ্ছিন্ন করা হয় রেল যোগাযোগ। তবে এখন করোনার মধ্যেই কাঁচামাল ও শাকসবজি পরিবহনের জন্য লাগেজ ভ্যান চালু করা হবে- এ রকম চিন্তা করা হচ্ছে।

যেহেতু পোশাক কারখানা চালুসহ কিছু কিছু ক্ষেত্রে শিথিলতার পথে হাঁটছে সরকার, এ অবস্থায় রেল যোগাযোগ চালু করার বিষয়েও তৎপরতা শুরু হয়েছে।

রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরও কিছু কিছু মালবাহী ট্রেন চালু রাখা হয়। এসব ট্রেন দিয়ে মূলত সরকারের খাদ্যপণ্য ও জ্বালানি তেল পরিবহন করা হয়। এবার লাগেজ ভ্যানের মাধ্যমে পার্সেল ট্রেন চালু হলে সেগুলো দিয়ে শাকসবজি ও ফলমূল পরিবহন করা যাবে।

আগে বিভিন্ন মেইল ও লোকাল ট্রেনে যাত্রীবাহী বগির সঙ্গে এক বা একাধিক লাগেজ ভ্যান যুক্ত করে দিয়ে মালামাল পরিবহন করা হতো। এখন এসব ভ্যান জোড়া দিয়ে আস্ত একটা পার্সেল ট্রেন বানিয়ে চালানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। উত্তরবঙ্গ, বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চল ও চট্টগ্রামের পথে এমন চারটি পার্সেল ট্রেন চালানো হতে পারে।

সরকারি সূত্র বলছে, কবে থেকে রেল চালু হবে সেই বিষয়ে এখনো সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে পাকা কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি। তবে আগামী ৫ মের পর থেকে রেল চলাচল শুরু করার বিষয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে রেলপথ মন্ত্রণালয়।

গত সোমবার রেলের মহাপরিচালক মো. শামসুজ্জামানের সভাপতিত্বে রেল ভবনে একটি প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন লকডাউনের পর প্রথম অফিস করবেন। ওই দিন বেলা ১১টায় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বৈঠক ডেকেছেন মন্ত্রী। সেখানেই রেল চালুর বিষয়ে আলোচনা হতে পারে।

জানতে চাইলে রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন বলেন, সার্বিক দিক বিবেচনা করে সরকার লকডাউন তুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিলে তারা ট্রেন চালু করে দিতে পারবেন। সেই প্রস্তুতি তাদের আছে। প্রথমেই কাঁচামাল পরিবহনেরর জন্য পার্সেল ট্রেন চালু করা হবে। এরপর যাত্রীবাহী ট্রেন চালু হবে।

তিনি জানান, বৃহস্পতিবারের বৈঠকে রেলের বিভিন্ন প্রকল্পের বিষয়ে আলোচনা করার পাশাপাশি ট্রেন চালু হলে কীভাবে যাত্রীদের সুরক্ষা দেয়া যায়, সে বিষয়ে আলোচনা হবে।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের শুরুতে গত ২৪ মার্চ সরকার অফিস আদালত বন্ধের ঘোষণা দেয়। ২৬ মার্চ থেকে সড়ক ও রেল যোগাযোগও বন্ধের সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু ২৪ মার্চ থেকেই রাজধানীর কমলাপুর স্টেশনসহ বিভিন্ন রেলস্টেশনে মানুষের ঢল নামে। ওই দিন রাতেই কিছু কিছু মেইল ও লোকাল ট্রেনের চলাচল বাতিল করা হয়। পরদিন সন্ধ্যায় সব ধরনের যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধের ঘোষণা দেয়া হয়। এ সময় কিছু মালবাহী ট্রেন চলাচল করেছে। এখন দীর্ঘ এক মাস পর যাত্রীবাহী ট্রেন চালু করার বিষয়ে আলোচনা শুরু হলো।

নিউজজি/জেডকে

পাঠকের মন্তব্য

লগইন করুন

ইউজার নেম / ইমেইল
পাসওয়ার্ড
নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন
copyright © 2021 newsg24.com | A G-Series Company
Developed by Creativeers