শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ , ২ সফর ১৪৪৮

প্রবাস

মালয়েশিয়ায় ধরপাকড়, বাংলাদেশিসহ গ্রেপ্তার ২০০

নিউজজি ডেস্ক ৬ জুলাই , ২০২৬, ১২:৪৬:৩০

67
  • সংগৃহীত

ঢাকা: মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে আবারও বড় ধরনের অভিযান পরিচালনা করেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ। রাজধানী কুয়ালালামপুরের একটি নাইট মার্কেটে চালানো এই অভিযানে বাংলাদেশিসহ সাত দেশের মোট ২০০ জন বিদেশিকে আটক করা হয়েছে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এবার শুধু অবৈধ অভিবাসীরাই নয়, তাদের নিয়োগদাতা, আশ্রয়দাতা এবং দালালচক্রের বিরুদ্ধেও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয় গণমাধ্যম সিনার হারিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়, স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে দুই সপ্তাহের নজরদারি শেষে রোববার (৫ জুলাই) ‘অপ কুটিপ’ নামের এই অভিযান পরিচালিত হয়। কুয়ালালামপুর ও পুত্রজায়া অভিবাসন বিভাগ এবং কুয়ালালামপুর সিটি হল (ডিবিকেএল) যৌথভাবে এতে অংশ নেয়। খবর মালয় মেইল।

কুয়ালালামপুর অভিবাসন বিভাগের পরিচালক হামশা ইনজাউ জানান, অভিযানে ৫০০ জনের কাগজপত্র যাচাই করা হয়। তাদের মধ্যে ৪০৭ জন বিদেশি এবং ৯৩ জন মালয়েশিয়ার নাগরিক ছিলেন। পরে ২০০ বিদেশিকে আটক করা হয়।

আটককৃতদের মধ্যে ১২৫ জন পুরুষ ও ৭৫ জন নারী। তারা বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া, মিয়ানমার, ভিয়েতনাম, চীন, পাকিস্তান ও ভারতের নাগরিক।

রোববার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টার দিকে অভিযান শুরু হলে অনেক বিদেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের দেখে পালানোর চেষ্টা করেন। কেউ কেউ লুকিয়ে পড়লেও নজরদারিতে থাকা কর্মকর্তারা পরে তাদের খুঁজে বের করেন।

হামশা ইনজাউ বলেন, স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগের ভিত্তিতেই এ স্থানটিকে অভিযানের জন্য বেছে নেয়া হয়। কারণ সেখানে বিপুলসংখ্যক বিদেশি নিয়মিত জড়ো হতেন। তিনি জানান, আটককৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বৈধ ভ্রমণ নথি না থাকা, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবস্থান করা, ভিজিট পাসের অপব্যবহার এবং অভিবাসন পাসের শর্ত লঙ্ঘনের মতো বিভিন্ন অভিযোগ পাওয়া গেছে।

হামশা বলেন, তামান মালুরিতেই অভিযান সীমাবদ্ধ থাকবে না। রাজধানীর অন্যান্য নাইট মার্কেটেও অভিযান চালানো হবে, বিশেষ করে যেখানে বিদেশিদের সমাগম বেশি। তিনি বলেন, কুয়ালালামপুরজুড়ে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে, যাতে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনকারী বিদেশিরা স্বস্তিতে থাকতে না পারেন।

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের অভিযান শুধু অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে নয়। তাদের নিয়োগকর্তা, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মালিক, এজেন্ট, চক্র এবং যারা অবৈধ অভিবাসীদের আশ্রয় দেয়, তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

তিনি বলেন, আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে অভিবাসন বিভাগ কোনও ধরনের ছাড় দেবে না। আইন অনুযায়ী পেশাদারিত্ব ও সততার সঙ্গে অভিযান অব্যাহত থাকবে। এসময় অভিবাসনসংক্রান্ত অপরাধের বিষয়ে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করতে সাধারণ মানুষের প্রতিও আহ্বান জানান হামশা ইনজাউ।

 

নিউজজি/এস আর

পাঠকের মন্তব্য

লগইন করুন

ইউজার নেম / ইমেইল
পাসওয়ার্ড
নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন
copyright © 2023 newsg24.com | A G-Series Company
Developed by Creativeers