শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ , ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

দেশ

তোমার ট্রাইব্যুনালেই তোমার বিচার চলছে: মিয়া গোলাম পরওয়ার

শরীয়তপুর প্রতিনিধি ২৫ জানুয়ারি, ২০২৫, ১২:৫০:২৫

234
  • ছবি : নিউজজি

শরীয়তপুর: জুলাই অভ্যর্থনে ছাত্র জনতার উপর নির্বিচারে হামলা করা হয়। তারা হেলিকপ্টার দিয়ে গুলি করেছিল, গুলি করা সেই মরদেহগুলো সাভার আশুলিয়া নিয়ে ট্রাকের উপরে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ছাই করে দিয়েছে। ওরা মানবতা বিরোধী অপরাধী। এই মানবতা বিরোধীদের অপরাধীদেরকে ট্রাইব্যুনালে বিচার করতে হবে। শেখ হাসিনার তৈরি এই ট্রাইব্যুনালে তার বিচার হবে। মিথ্যা সাজানো মামলা দিয়ে জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতাদের হত্যা করা হয়েছে। তোমার তৈরি ট্রাইব্যুনালে ই তোমার বিচার চলছে। ওখানে ২০০ অধিক মামলা হয়েছে।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়া শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেল সারে ৪টায় ডামুড্যা হামিদিয়া কামিল মাদ্রাসা মাঠে পথ সভায় এই কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, পতিত স্বৈরাচার জুলাইয়ের গণ অভ্যর্থনে ৫ আগস্ট বাংলাদেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে তার আসল জায়গায় যেখান কার মাল সেখানেই চলে গেছে। সেই মাল ওখানে গিয়ে বসেনি অস্থির হয়ে গিয়েছে। ফোনে দেশে আসবে বলে জানান। আমরা তার জন্য কলা পাতার গেট বানিয়ে বসে আছি। বাংলালাদেশের মানুষ ১৫, ১৬ বছর একটি কালো যুগ পাড় করেছে। সে ২ হাজারের অধিক ছাত্র জনতাকে হত্যা করেছে। এছাড়া ৪০ হাজার ছাত্র জনতা আহত হয়েছে। জুলাইয়ে অভ্যর্থনে রক্ত দিয়ে আমাদের ঋনী করে গেছে তাদের ঋণ করে বিথা যেতে দেয়া যাবে না।

নির্বাচন নিরপেক্ষ করার জন্য সংস্কার ছাড়া সম্ভব হবে বলে উল্লেখ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, আপনি সব সংস্কার না করেন। অন্তত নির্বাচনের জন্য যে সমস্ত বিভাগগুলো জড়িত এমন ৬ থেকে ৭টা বিভাগকে সংস্কার করে ৬ মাসের মধ্যে সংস্কার গুলো করতে পারেন। কারণ আপনার যে ১৩টি রিফন কমিশন করেছেন তার মধ্যে ইতিমধ্যে কয়েকটা জমা হয়ে গিয়েছে। বাকি গুলো জমা হলে বাছাই করে রাজনৈতিক দলের সাথে মত বিনিময় করতে পারেন। তারপর ৬ মাসের মধ্যে সেখান থেকে বিভিন্ন সংস্কার প্রস্তাব গুলো বাস্তবায়ন করুন। প্রশাসনকে নিরপেক্ষ করুন। প্রশাসনের রঞ্জে রঞ্জে ঘাপটি মেরে পড়ে থাকা আওয়ামী লীগের দোসরদের বিদায় করে দেন। তারপর আপনি নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করতে পারেন। আর না হলে নির্বাচন গত নির্বাচনের মত হয়ে যাবে।

তিনি আরো বলেন, আমাদের দেশের মানুষ একটি দল ও একটি পরিবারের কাছ জিম্মি ছিল। জামায়াত-বিএনপির নাম শুনলে চাকরি হত না। রিটানে টিকলেও পুলিশ তদন্ত আর টিকত না। ব্যবসা বানিজ্য সব কিছুই ছিল নিয়ন্ত্রিত। গত ৩টি নির্বাচনে আমরা কেউ ভোট দিতে পারিনি। আমাদের ভোট আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ দিয়ে দিত। তারা আমাদের রাস্তা থেকেই বাড়িতে পাঠিয়ে দিত।

জেলা জামায়াত ইসলামের নায়েবে আমীর কেএম মকবুল হোসাইনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুর রব হাসেমী, জেলা আমীর বাংলাদেশ জামায়াত ইসলাম, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন, কেন্দ্রীয় বাইতুলমাল সম্পাদক মুহাম্মদ আজহারুল ইসলাম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন, পৌর আমির আতিকুর রহমান কবির।

 

নিউজজি/এসএম

পাঠকের মন্তব্য

লগইন করুন

ইউজার নেম / ইমেইল
পাসওয়ার্ড
নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন
copyright © 2023 newsg24.com | A G-Series Company
Developed by Creativeers