বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ , ৩ শাবান ১৪৪৭

দেশ

অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে সৌন্দর্য বর্ধন ও শিশু পার্ক নির্মাণ

দুপচাঁচিয়া (বগুড়া) প্রতিনিধঃ ৫ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১২:২১:২০

104
  • অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে সৌন্দর্য বর্ধন ও শিশু পার্ক নির্মাণ

বগুড়া: বগুড়া-নওগাঁ মহাসড়কের পাশে দুপচাঁচিয়া উপজেলা  সিও অফিস বাসস্ট্যান্ড পাশে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের উচ্ছেদকৃত জায়গায় বৃক্ষরোপণ, সৌন্দর্য বর্ধন ও শিশু পার্ক নির্মাণ করেন দুপচাঁচিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক শাহরুখ খান।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গেটের সামনে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে নবনির্মিত শিশু পার্ক হওয়ায় এলাকাজুড়ে বইছে উৎসবের আমেজ। পৌরসভার উদ্যোগে গড়ে ওঠা এ সৌন্দর্যবর্ধন প্রকল্প নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে ইতিবাচক সাড়া। স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল একটি মানসম্মত শিশু পার্ক, যেখানে শিশুরা খেলাধুলা ও চিত্তবিনোদনের সুযোগ পাবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও   সর্বস্তরের মানুষের  সহযোগিতায় সেই স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নিয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, পার্কে রয়েছে সারি সারি বসার স্থান, নানান প্রজাতির ফুল ও ফলের গাছ, শিশুদের জন্য দোলনা, ছলছলি ও অন্যান্য খেলার উপকরণ। পুরো পার্ক বিভিন্ন রংয়ের লাইট দিয়ে আলোকসজ্জা করা হয়েছে। ভোর থেকে রাত পর্যন্ত পার্কটি সরব হয়ে ওঠে শিশুদের হাসি-আনন্দে। তাদের সঙ্গে আসেন অভিভাবকরাও।

অভিভাবক মাকসুদার রহমান রানা বলেন, “শিশুরা সবসময় ঘুরতে ও খেলতে চায়, কিন্তু এ এলাকায় বিনোদনের উপযুক্ত কোনো স্থান ছিল না। এখন শিশু পার্কটি হওয়ায় আমরা ভীষণ খুশি। এটি আমাদের সবার জন্য আনন্দের জায়গা হয়ে উঠেছে।”

শিক্ষার্থী জান্নাতুল মুক্তাদির সাবা জানায়, “প্রতিদিন পার্কে এসে বন্ধুদের সঙ্গে খেলি, ঘুরি, তারপর বাড়ি ফিরি। এখানে খুব মজা লাগে।”

স্থানীয়রা জানান, সৌন্দর্য বর্ধন ও পার্ক নির্মাণের মাধ্যমে শুধু শিশুদের বিনোদনের সুযোগই নয়, এলাকাবাসীরও পথচলা ও বিশ্রামের এক মনোরম পরিবেশ তৈরি হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভবিষ্যতে পার্কটিতে আরও খেলার সরঞ্জাম ও আলোকসজ্জা বাড়ানো হবে, যাতে এটি দুপচাঁচিয়ার অন্যতম আকর্ষণীয় বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠে।

উপজেলা  নিবার্হী কর্মকর্তা  ও পৌর প্রশাসক শাহরুখ খান বলেন, “হাসপাতাল গেটের সামনে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে এলাকার সৌন্দর্য বৃদ্ধির পাশাপাশি শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ বিনোদন কেন্দ্র তৈরির উদ্যোগের পরিকল্পনা করেছিলাম।  দুপচাঁচিয়ার বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ এখানে আসে, কিন্তু বসার মতো উপযুক্ত জায়গার অভাব ছিল। শিশুদেরও ভালো খেলার স্থান ছিল না। তাই আমরা এই শিশু পার্কটি নির্মাণ করেছি। তিনি আরও বলেন, এ পার্কের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব শুধু প্রশাসনের নয় বরং এটি উপজেলাবাসীর সম্পদ। সবাই মিলে যত্ন নিলেই পার্কটি স্থায়ীভাবে সুন্দর থাকবে।

নিউজজি/নাসি

পাঠকের মন্তব্য

লগইন করুন

ইউজার নেম / ইমেইল
পাসওয়ার্ড
নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন