বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২ , ২ রমজান ১৪৪৭

দেশ

জুলাই হত্যাকাণ্ডের আলামত প্রদর্শিত হবে স্মৃতি জাদুঘরে

নিউজজি ডেস্ক ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ২২:৩১:০৪

134
  • ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা: ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ গ্যালারিতে চব্বিশের জুলাই–আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধসংক্রান্ত মামলায় জব্দ করা বিভিন্ন আলামত এক মাসের জন্য প্রদর্শনের অনুমতি দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। প্রদর্শনীর জন্য অনুমোদিত আলামতের মধ্যে রয়েছে জুলাই অভ্যুত্থানের সময় হতাহতদের রক্তমাখা পোশাক, নির্যাতনে ব্যবহৃত চেয়ারসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বস্তু।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ আদেশ দেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারপতি মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

এ বিষয়ে প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামীম সাংবাদিকদের বলেন, গণভবনকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর হিসেবে বর্তমান সরকার ঘোষণা করেছে এবং তার কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। আগামী ২০ জানুয়ারি সেটি উদ্বোধন হবে। জাদুঘর কর্তৃপক্ষ আলামতগুলো প্রদর্শনের জন্য প্রসিকিউশনের মাধ্যমে আবেদন করার পর আজ ট্রাইব্যুনাল এক মাসের জন্য প্রদর্শনের অনুমতি দিয়েছেন।

গাজী এমএইচ তামীম আরও বলেন, ট্রাইব্যুনালে যেসব মামলা ইতোমধ্যে নিস্পত্তি হয়েছে অথবা চলমান, সেখানে যেসব উপাদান জব্দ করা হয়েছে, যেমন গুলি, অস্ত্র, রক্তমাখা পোশাক অথবা যেসব চেয়ারে নির্যাতনগুলো করা হয়েছে সেগুলো জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে প্রদর্শন করা হবে।

প্রসঙ্গত, ঢাকার শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ চব্বিশের ৫ আগস্টের আগ পর্যন্ত ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন হিসেবে ব্যবহৃত হতো। ছাত্রজনতার অভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে গেলে হাজার হাজার জনতা গণভবনে প্রবেশ করে উল্লাস করে। পরবর্তীতে, ঐতিহাসিক এই স্থাপনাটিকে জুলাই আন্দোলনে আহত ও শহিদদের স্মৃতি সংরক্ষণের স্থান হিসেবে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় এবং ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ হিসেবে রূপান্তর করার পরিকল্পনা করা হয়।

বিশেষভাবে জাদুঘরে স্থান পেয়েছে শহিদদের পোশাক (ফারহান ফাইয়াজের ঘড়ি, আবু সাঈদের ছেঁড়া প্যান্ট), ছবি, গ্রাফিতি, গুরুত্বপূর্ণ নথি, বুলেট, রক্তমাখা কাপড়, নির্যাতনের সরঞ্জাম, এবং ‘মিথ্যা আশ্বাস’ সম্পর্কিত প্রমাণাদি, যা মূলত তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের ‘দুঃশাসনের’ ইতিহাস তুলে ধরে। জাদুঘরে শেখ হাসিনার ১৬ বছরের শাসনের ‘অপকর্ম’ ও ‘গণহত্যার’ চিত্রও স্থান পেয়েছে, যার মধ্যে পিলখানা ও শাপলা চত্বরের ঘটনাও অন্তর্ভুক্ত। এ ছাড়াও এ জাদুঘরে রয়েছে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’-এর স্মরণে নির্মিত ভাস্কর্য ও স্মারক।

 

 

নিউজজি/এসডি

 

জুলাই হত্যাকাণ্ডের আলামত প্রদর্শিত হবে স্মৃতি জাদুঘরে

ঢাকা: ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ গ্যালারিতে চব্বিশের জুলাই–আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধসংক্রান্ত মামলায় জব্দ করা বিভিন্ন আলামত এক মাসের জন্য প্রদর্শনের অনুমতি দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। প্রদর্শনীর জন্য অনুমোদিত আলামতের মধ্যে রয়েছে জুলাই অভ্যুত্থানের সময় হতাহতদের রক্তমাখা পোশাক, নির্যাতনে ব্যবহৃত চেয়ারসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বস্তু।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ আদেশ দেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারপতি মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

এ বিষয়ে প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামীম সাংবাদিকদের বলেন, গণভবনকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর হিসেবে বর্তমান সরকার ঘোষণা করেছে এবং তার কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। আগামী ২০ জানুয়ারি সেটি উদ্বোধন হবে। জাদুঘর কর্তৃপক্ষ আলামতগুলো প্রদর্শনের জন্য প্রসিকিউশনের মাধ্যমে আবেদন করার পর আজ ট্রাইব্যুনাল এক মাসের জন্য প্রদর্শনের অনুমতি দিয়েছেন।

গাজী এমএইচ তামীম আরও বলেন, ট্রাইব্যুনালে যেসব মামলা ইতোমধ্যে নিস্পত্তি হয়েছে অথবা চলমান, সেখানে যেসব উপাদান জব্দ করা হয়েছে, যেমন গুলি, অস্ত্র, রক্তমাখা পোশাক অথবা যেসব চেয়ারে নির্যাতনগুলো করা হয়েছে সেগুলো জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে প্রদর্শন করা হবে।

প্রসঙ্গত, ঢাকার শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ চব্বিশের ৫ আগস্টের আগ পর্যন্ত ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন হিসেবে ব্যবহৃত হতো। ছাত্রজনতার অভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে গেলে হাজার হাজার জনতা গণভবনে প্রবেশ করে উল্লাস করে। পরবর্তীতে, ঐতিহাসিক এই স্থাপনাটিকে জুলাই আন্দোলনে আহত ও শহিদদের স্মৃতি সংরক্ষণের স্থান হিসেবে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় এবং ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ হিসেবে রূপান্তর করার পরিকল্পনা করা হয়।

বিশেষভাবে জাদুঘরে স্থান পেয়েছে শহিদদের পোশাক (ফারহান ফাইয়াজের ঘড়ি, আবু সাঈদের ছেঁড়া প্যান্ট), ছবি, গ্রাফিতি, গুরুত্বপূর্ণ নথি, বুলেট, রক্তমাখা কাপড়, নির্যাতনের সরঞ্জাম, এবং ‘মিথ্যা আশ্বাস’ সম্পর্কিত প্রমাণাদি, যা মূলত তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের ‘দুঃশাসনের’ ইতিহাস তুলে ধরে। জাদুঘরে শেখ হাসিনার ১৬ বছরের শাসনের ‘অপকর্ম’ ও ‘গণহত্যার’ চিত্রও স্থান পেয়েছে, যার মধ্যে পিলখানা ও শাপলা চত্বরের ঘটনাও অন্তর্ভুক্ত। এ ছাড়াও এ জাদুঘরে রয়েছে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’-এর স্মরণে নির্মিত ভাস্কর্য ও স্মারক।

 

 

নিউজজি/এসডি

 

 

পাঠকের মন্তব্য

লগইন করুন

ইউজার নেম / ইমেইল
পাসওয়ার্ড
নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন