সোমবার, ৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ , ২২ জিলহজ ১৪৪৭

দেশ

কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে এলো বিশালাকৃতির মৃত তিমি

নিউজজি ডেস্ক ৩ জুন, ২০২৬, ১৭:০৮:১৬

67
  • কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে এলো বিশালাকৃতির মৃত তিমি

ঢাকা: পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে ভেসে এসেছে ৫৮ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি মৃত তিমি। বুধবার (৩ মে) দুপুর ২টায় সৈকতের ঝাউ বাগান সংলগ্ন পূর্বপাশে মৃত তিমিটি ভেসে আসে। দীর্ঘ দুই যুগে সৈকতে ভেসে আসা তিমির মধ্যে এটি সবচেয়ে বড় বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।

এর আগে, সকালে কুয়াকাটা থেকে ১৫ কিলোমিটার গভীর সাগরে তিমিটি ভাসতে দেখে জেলেরা। খবর পেয়ে উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলন কুয়াকাটার (উপরা) সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তিমিটি উদ্ধারের চেষ্টা করে। তবে সেটি অর্ধগলিত হওয়ায় তাৎক্ষণিক উদ্ধারের সম্ভব না হলেও স্রোতের টানে সেটি ঝাউ বাগান এলাকায় ভেসে আসে।

উপরার আহ্বায়ক বাচ্চু খলিফা বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, এক সপ্তাহ আগে তিমিটির মৃত্যু হয়েছে। তবে কী কারণে মারা গেছে, সেটি নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তিমিটির কঙ্কাল সংরক্ষণের দাবি জানান তিনি।

ডলফিন রক্ষা কমিটির টিম লিডার রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে যতগুলো মৃত তিমি বা ডলফিন ভেসে এসেছে, সেগুলোর মধ্যে এটি সবচেয়ে বড়। তিমিটি কী কারণে মারা গেছে, সে বিষয়ে অবগত না হলেও এটি জীববৈচিত্র্যের জন্য অশনিসংকেত। তিমিটির ময়নাতদন্তের দাবি জানান তিনি।

ব্লু অ্যাকশন ফান্ডের অর্থায়নে পরিচালিত ডাব্লিউসিএস ও ওয়ার্ল্ডফিশের সমন্বয়ে বাস্তবায়িত ‘সুস্থ সাগর’ প্রকল্পের গবেষণা সহকারী বখতিয়ার রহমান বলেন, পৃথিবীর সবচেয়ে বড় প্রাণী নীল তিমি। এরপর দ্বিতীয় বৃহত্তম প্রাণী বেলিন প্রজাতির তিমিগুলো। ট্রলিং জাহাজের ধাক্কা, মাছ ধরার জালে আটকে যাওয়া, রোগ সংক্রমণ, খাদ্য সংকট, জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব অথবা প্রাকৃতিক কারণে তিমিসহ অন্যান্য প্রাণীর মৃত্যু হচ্ছে। তিনিটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে নেক্রোপসি (ময়নাতদন্ত) ও বিস্তারিত বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা প্রয়োজন।

মহিপুর বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মনির হোসেন বলেন, ঘটনাস্থলে বিট কর্মকতাদের পাঠানো হয়েছে। কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজজি/এসএম/নাসি  

পাঠকের মন্তব্য

লগইন করুন

ইউজার নেম / ইমেইল
পাসওয়ার্ড
নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন
copyright © 2023 newsg24.com | A G-Series Company
Developed by Creativeers