বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ , ৬ সফর ১৪৪৮

দেশ

বান্দরবানে ও কক্সবাজারে পাহাড়ধসে ৭ জনের মৃত্যু

নিউজজি ডেস্ক ৯ জুলাই, ২০২৬, ১০:১২:৫৯

60
  • সংগৃহীত

ঢাকা: টানা ভারী বর্ষণের মধ্যে বান্দরবানের লামা এলাকায় পৃথক দুটি পাহাড়ধসের ঘটনায় একই এলাকার পাঁচজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের তিনজন এবং অপর ঘটনায় স্বামী-স্ত্রী রয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) আজিজনগর ইউনিয়নের মিশনপাড়া (পাগলির ঝিরি) ভোরে এ দুটি ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- আজিজনগরে বাসিন্দা মো. ইউনুস (৪০), তার স্ত্রী রানু আক্তার (৩৫) এবং তাদের পাঁচ বছর বয়সী ছেলে মো. সোলেমান মাটিচাপা পড়ে মারা যান। পরে দেয়াল ও মাটির নিচে চাপা পড়ে মারা যান স্বামী-স্ত্রী মো. জুয়েল (৩৪) ও কুলছুমা আক্তার (২৫)।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানিয়েছে, ভোরের দিকে পাহাড়ধসে পড়লে এলাকার মানুষ চিৎকার শুনতে পায়। চিৎকারে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। পরে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের সদস্যরা উদ্ধার অভিযান চালিয়ে পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করেন।

পুলিশ সুপার মো. ওহাবুল ইসলাম খন্দকার বলেন, একই এলাকায় পৃথক দুই ঘটনায় নিহত হয়েছে শিশুসহ ৫জন। মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

এদিকে টানা বৃষ্টির কারণে লামাসহ বান্দরবানের বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ধসের ঝুঁকি বেড়েছে। নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হওয়ায় জনজীবন ও সড়ক যোগাযোগও ব্যাহত হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হলেও অনেকেই এখনও সেখানে যেতে অনাগ্রহী। অন্যদিকে টানা বৃষ্টির কারণে বিভিন্ন উপজেলার সড়ক যোগাযোগ, বিদ্যুৎ সংযোগ ও নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন হওয়াতে যোগাযোগ ব্যাহত হচ্ছে।

অন্যদিকেটানা বর্ষণের ফলে কক্সবাজারের চকরিয়ায় পাহাড় ধসে দুইজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও একজন।বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ভোররাতে চকরিয়ার মছনিয়া কাটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীন দেলোয়ার।

তিনি জানিয়েছেন, ভোররাতে তিনি খবর পান, মছনিয়াকাটা এলাকায় পাহাড়ধসে পড়েছে। চাপা পড়েন দুই সন্তানসহ এক মা। তাদের উদ্ধার করার পর দুই শিশুকে মৃত ঘোষণা করে চিকিৎসক। হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে মাকে।

এ নিয়ে গেল কয়েকদিনে কক্সবাজার জেলায় ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে পাহাড়ধসে। যাদের অনেকে রোহিঙ্গা। এছাড়া পানিবন্দি হয়েছে তিন উপজেলার ১৫ হাজার পরিবার।

নিউজজি/এসডি

 

পাঠকের মন্তব্য

লগইন করুন

ইউজার নেম / ইমেইল
পাসওয়ার্ড
নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন
copyright © 2023 newsg24.com | A G-Series Company
Developed by Creativeers