শনিবার, ৮ মে ২০২১, ২৪ বৈশাখ ১৪২৮ , ২৬ রমজান ১৪৪২

শিল্প-সংস্কৃতি

‘আলো আসবেই’: সনজীদা খাতুন

নিউজজি প্রতিবেদক ১৪ এপ্রিল, ২০২১, ২২:০২:৫৪

  • সংগৃহীত

ঢাকা: করোনা অতিমারির প্রভাবে যে অন্ধকার পৃথিবীতে জেঁকে বসেছে, নববর্ষের নতুন সূর্য এবারও তাতে আলো ফেলতে পারেনি। তবে, অন্ধকারের উৎস থেকেই যে আলো আসবে, বাংলা নতুন বছরের সূচনায় মানুষের জন্য সেই চিরন্তন সত্যই তুলে ধরেছে ছায়ানট।

পহেলা বৈশাখের প্রভাতে ভার্চুয়ালি বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে ‘আমি ভয় করব না ভয় করব না’ গান দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু করেন ছায়ানটের শিল্পীরা। বর্ষবরণের ডিজিটাল আয়োজনে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ছিল দেশাত্মবোধক গানের পরিবেশনা।

আজ বুধবার (১৪ই এপ্রিল) সকাল ৭টায় বাংলাদেশ টেলিভিশনে সম্প্রচার করা হয় ছায়ানটের বর্ষবরণের আয়োজন অনুষ্ঠানটি সাজানো হয়েছে রমনার বটমূলের পুরানো আয়োজন ও নতুন রেকর্ড করা পরিবেশনার সমন্বয়ে।

অনুষ্ঠানে ছায়ানটের সভাপতি সনজীদা খাতুন বলেন, ‘অন্ধকারের উৎস থেকে আলো উৎসারিত হবেই, নতুন বছর সর্বজনের জন্য মঙ্গলবার্তা বয়ে আনবে, আলো আসবেই।’  

বর্ষবরণে উৎসবের আমেজ নেই উল্লে­খ করে তিনি বলেন, স্বজন হারানোর বেদনা আর সংক্রমণের শঙ্কা আজ সর্বজনের অন্তরে।

পহেলা বৈশাখ বাঙালির জীবনে নিছক নববর্ষ উদযাপন নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, আত্মপরিচয়ের সন্ধানে বাঙালি পথ পরিক্রমা কখনই মসৃণ ছিল না।

মহামারীতে বিপর্যস্ত সময়েও বাংলাদেশের অগ্রগতি যে নতুন আশা জাগিয়ে রেখেছে, সে কথাও তুলে ধরেন ছায়ানটের সভাপতি। তিনি বলেন, অর্ধশতবর্ষ পরে ধ্বংসস্তুপ থেকে জেগে ওঠা বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ও সামাজিক সূচকে ঈর্ষণীয় সাফল্যের দৃষ্টান্ত দেখিয়েছে। এটি আমাদের আশাবাদী করে তোলে। 

‘ধর্মের মর্মবাণীকে উপেক্ষা করে নতুন অবয়বে উত্থিত ধর্ম বিদ্বেষ স¤প্রীতির সমাজকে বিনষ্ট করতে সচেষ্ট। লোভের বিস্তার বৈষম্য সৃষ্টি করছে। বিচ্ছিন্নভাবে আত্মপ্রকাশ করছে সামাজিক অবক্ষয়।’

সনজিদা খাতুন বলেন, দেশের অগ্রযাত্রাকে অক্ষুন্ন রেখে নেতিবাচক প্রবণতাকে রোধ করতে বাঙালি সংস্কৃতির চর্চার প্রসার মানবিক সমাজ গঠনের অবলম্বন হয়ে উঠতে পারে। 

পাঠকের মন্তব্য

লগইন করুন

ইউজার নেম / ইমেইল
পাসওয়ার্ড
নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন
copyright © 2021 newsg24.com | A G-Series Company
Developed by Creativeers