বৃহস্পতিবার, ৬ মে ২০২১, ২২ বৈশাখ ১৪২৮ , ২৪ রমজান ১৪৪২

অর্থ ও বাণিজ্য

লকডাউনে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বৃদ্ধি

খাজা মেহেদী শিকদার ৯ এপ্রিল , ২০২১, ১২:৫৫:২০

  • ছবি : নিউজজি

ঢাকা: লকডাউনের কারণে সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বেড়েছে মুরগি, আদা ও হলুদের। তবে দাম কমেছে ডিমের। অপরদিকে অপরিবর্তিত রয়েছে ভোজ্যতেল, চালসহ অন্য পণ্যের দাম। শুক্রবার (৯ এপ্রিল ) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এসব চিত্র দেখা গেছে।

শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৬৫ টাকা। শবেবরাতের আগে থেকেই এই দামে বিক্রি হচ্ছে ব্রয়লার। তবে করোনায় বিধিনিষেধ আরোপের দ্বিতীয় দিন মঙ্গলবার ব্রয়লার মুরগির কেজি ১৫০ টাকায় নেমে এসেছিল। গতকাল বৃহস্পতিবারও ব্রয়লার মুরগির কেজি ১৫০ টাকা বিক্রি হয় বেশিরভাগ বাজারে। 

এসব বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি গাজর ২০ থেকে ৩০ টাকা, শিম ৪০ টাকা, বেগুন ৪০ থেকে ৫০ টাকা, করল্লা ৫০ থেকে ৬০ টাকা,মুলা ৩০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০ থেকে ৫০ টাকা, টমেটো ২০ থেকে ৩০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা। প্রতি পিস লাউ আকারভেদে বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়, বাঁধাকপি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকা। মিষ্টি কুমরার কেজি ১৫ থেকে ২০ টাকা, চিচিঙ্গা ৪০ থেকে ৬০ টাকা, পটল ৪০ টাকা, ভেন্ডি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, লতি ৬০ টাকা, সাজনা ৫০ থেকে ৬০ টাকা, আলু বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা কেজি। কিন্তু ছয় কেজি আলু পাওয়া যাচ্ছে ১০০ টাকায়। প্রতি কেজি পিঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকা। 

কাঁচা কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকায়। কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে। পেঁপে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০-৪০ টাকা। 

এছাড়াও শুকনা মরিচ প্রতি কেজি ২০০ টাকা, রসুনের কেজি ৭০ থেকে ১২০ টাকা,আদা ৮০ থেকে ১০০ টাকা। হলুদ ১৮০ টাকা থেকে ২৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকায়। প্রতি কেজি বিআর-২৮ চাল বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৪৮ টাকা, মিনিকেট ৬৫ টাকা, নাজির ৬৫ থেকে ৭০ টাকা, স্বর্ণা চাল ৪৮ থেকে ৫০ টাকা, পোলাওয়ের চাল ৯০ থেকে ১০০ টাকা। খোলা ভোজ্যতেলর লিটার বিক্রি হচ্ছে ১৩৯ টাকা।

দাম কমে এক ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ৮৫ টাকায়। হাঁসের ডিমের দাম কমে ডজন এখন ১৩৫ টাকা। দেশী মুরগির ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা।

প্রতি কেজিতে ২০ টাকা দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে সোনালি (কক) মুরগি ২৭০ থেকে ২৮০ টাকা ও  ব্রয়লার মুরগি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকায়। লেয়ার মুরগি কেজি ২১০ থেকে ২২০ টাকা। এসব বাজারে অপরিবর্তিত আছে গরু ও খাসির মাংস, মসলাসহ অন্যান্য পণ্যের দাম। 

বাজারে প্রতি কেজি খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা, বকরির মাংস ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা, গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫৮০ টাকা।

এসব বাজারে প্রতি কেজি রুই মাছের দাম বেড়ে (আকারভেদে) ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকা, মাগুর মাছ ৬০০ টাকা, প্রতি এক কেজি শিং মাছ (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকায়, মৃগেল ১১০ থেকে ১৫০ টাকা, পাঙাস ১২০ থেকে ১৫০ টাকা, ইলিশ প্রতি কেজি (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৮৫০ থেকে ১,০০০ টাকা, চিংড়ি প্রতি কেজি ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা, বোয়ালমাছ প্রতি কেজি ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, কাতল ১৭০ থেকে ২৮০ টাকা, ফোলি মাছ ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা, পোয়া মাছ ২০০ থেকে ২৫০ টাকা, পাবদা মাছ ১৫০ থেকে ২৫০ টাকা, টেংরা মাছ ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, টাটকিনি মাছ ১০০ টাকা, তেলাপিয়া ১৪০ টাকা, সিলভার কাপ ১০০ থেকে ১৪০ টাকা, কৈ দেশি মাছ ১৫০ থেকে ৭০০ টাকা, কাঁচকি ও মলা বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, আইর মাছ ৫০০, রিডা মাছ ২২০ টাকা ও কোরাল ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা, গুড়া বাইলা ১২০ টাকা, রূপ চাঁদা মাছ কেজি ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মিরপুর ১১ নম্বর বাজারের মুরগি বিক্রেতা সোহেল রানা বলেন, খুচরা বাজারে মুরগির দাম আবার বেড়েছে। রোজাকে সামনে রেখ বাজারে মুরগির চাহিদা বেড়েছে। এ কারণে আমাদের মতন খুচরা ব্যবসায়ীদের বাড়তি দামে কিনছি তাই বাড়তি দামে বিক্রি করছি মুরগি। 

কাওরান বাজারে কাঁচাবাজারের বিক্রেতা সজল বলেন, লকডাউন ঘোষণার কারণে হয়তো শিথিল থাকা দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বেড়েছে। কাঁচা বাজার বিক্রেতা হানিফ বলেন, সবুজের ভিতরে কিছু সবজির দাম একটু বেশি। তবে লেবুর দাম এখনো কমে নাই।

নিউজজি/ এসআই

পাঠকের মন্তব্য

লগইন করুন

ইউজার নেম / ইমেইল
পাসওয়ার্ড
নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন
copyright © 2021 newsg24.com | A G-Series Company
Developed by Creativeers