শনিবার, ২৪ জুলাই ২০২১, ৮ শ্রাবণ ১৪২৮ , ১৩ জিলহজ ১৪৪২

অর্থ ও বাণিজ্য

করোনায় বিপর্যস্ত পোল্ট্রি খাত

নিউজজি প্রতিবেদক ১৯ জুন , ২০২১, ১০:২৮:৩৮

  • করোনায় বিপর্যস্ত পোল্ট্রি খাত

ঢাকা: করোনায় বিপর্যস্ত দেশের পোল্ট্রি খাত। এই খাতের উদোক্তাদের হিসাবে গেল দুই বছরে প্রান্তিক পর্যায়ে ২৯ হাজার খামার বন্ধ হয়ে গেছে। অন্য খামারীদেরও ব্যবসায় টিকে থাকার কঠিন সংগ্রাম করতে হচ্ছে। করোনাকালে পোল্ট্রি শিল্পে ক্ষতি প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা।

৮ বছর ধরে পোল্ট্রি খামার করছেন নারায়ণগঞ্জের আনোয়ার হোসেন। ভালোই চলছিল তার খামার। কিন্তু করোনায় পোল্ট্রি পণ্যের চাহিদা কমে যাওয়া ও ফিডের দাম বৃদ্ধিতে তার পক্ষে খামার পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়েছে। 

কথা হয়  নরসিংদী শিবপুরের রতন মোল্লার সাথে, তিনি বলেন, দেশের বাইরে থেকে এসেছি প্রায় ১৪ বছর। এসেই একটি পোল্ট্রি খামার ও মাছের চাষ শুরু করি। মাছের ব্যবসার যেমনই হোক মাছের খাবারের খরচ কমেনি, বেড়েছে কিন্তু সে তুলনায় মাছের দাম বাড়েনি। আর পোল্ট্রি খামারের অবস্থা তো অনেক খারাপ টিকে থাকাই কঠিন। আগের মতো চাহিদা নেই। ফিডের দাম বেড়ে গেছে তাই সমস্যা হচ্ছে।

করোনায় সামাজিক অনুষ্ঠান ও বড় বড় হোটেল রেস্তোরাঁ বন্ধ থাকায় মুরগি ও ডিমের চাহিদা কমে গেছে। উৎপাদনের তুলনায় কম মূল্য পাওয়ায় প্রান্তিক পর্যায়ের অনেক খামারীর অবস্থায় শোচনীয়।

বাংলাদেশ পোল্ট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদের তথ্য অনুসারে, দেশে প্রায় লক্ষাধিক পোল্ট্রি খামার রয়েছে। এরমধ্যে ২৯ হাজার খামার বন্ধ হয়ে গেছে। আর যারা ব্যবসায় টিকে আছেন তারাও লোকসান মেটাতেই হিমশিম খাচ্ছেন। 

বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাষ্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল-বিপিআইসিসি’র তথ্য মতে, সপ্তাহে ব্রয়লার বাচ্চার উৎপাদন ১ কোটি ৭০ লাখ থেকে বর্তমানে প্রায় ১ কোটি ৩৫ লাখে নেমে এসেছে। আর সোনালীর উৎপাদন কমেছে ২০-২৫ শতাংশ। এই শিল্পকে ঘুরে দাঁড়াতে ১০ বছরের জন্য কর অব্যাহতি সুবিধার দাবি জানিয়েছে বিপিআইসিসি। 

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বন্ধ হওয়া খামার সচল করতে সরকার উদ্যোগ না নিলে স্বাভাবিক অবস্থায় মুরগী ও ডিমের চাহিদা মেটাতে হিমশিম খেতে হবে।

পাঠকের মন্তব্য

লগইন করুন

ইউজার নেম / ইমেইল
পাসওয়ার্ড
নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন
        
copyright © 2021 newsg24.com | A G-Series Company
Developed by Creativeers