মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ , ৫ সফর ১৪৪৮

শিক্ষা

‘প্রাথমিকে সংগীত-চারু-নাট্য-নৃত্যকলা চালু হবে, লাগবে ৬০ হাজার শিক্ষক’

নিউজজি ডেস্ক ১০ জুন , ২০২৬, ১৩:৫৮:৫৯

117
  • সংগৃহীত

ঢাকা: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ জানিয়েছেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত, নৃত্যকলা, নাট্যকলা, চারুকলা ও ক্রীড়া বিষয় চালু করা হবে। এসব বিষয় চালু করা হলে বিশেষায়িত শিক্ষক প্রয়োজন হবে। তখন শুধু প্রাথমিক শিক্ষাখাতের জন্যই নতুন করে অন্তত ৬০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ করা হবে।

বুধবার (১০ জুন) দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত, নৃত্যকলা, নাট্যকলা ও চারুকলা বিভাগের শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের সাথে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দেশের প্রাথমিক শিক্ষায় সংগীত, নৃত্যকলা ও সাংস্কৃতিক শিক্ষার সম্প্রসারণ, নতুন কারিকুলাম প্রণয়ন এবং দক্ষ শিক্ষক তৈরির লক্ষ্যে এ সভার আয়োজন করা হয়। সচিবালয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা এ সভা আয়োজন করা হয়।

গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশে প্রাথমিক শিক্ষায় সংগীত, নৃত্যকলা ও ক্রীড়াভিত্তিক শিক্ষা সম্প্রসারণে ভবিষ্যতে বিপুলসংখ্যক বিশেষায়িত শিক্ষক ও প্রশিক্ষকের প্রয়োজন হবে। এতে সংগীত, নৃত্যকলা, চারুকলা, নাট্যকলা ও ক্রীড়া বিষয়ে শিক্ষিত তরুণ-তরুণীদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এসব বিষয়ে একটি টেকসই ক্যারিয়ার পাথওয়ে গড়ে উঠবে। আগামী ৫ বছরে এ খাতে প্রায় ৫০-৬০ হাজার নতুন কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে।

ববি হাজ্জাজ বলেন, সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত শিক্ষা-দর্শন অনুযায়ী দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে এমনভাবে গড়ে তোলা হবে, যেন শিক্ষার্থীরা বৈশ্বিক নাগরিক হিসেবে বিকশিত হওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতাও অর্জন করতে পারে।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন, আমরা চাই আপনাদের শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পান। সে লক্ষ্যে কীভাবে তাদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দেয়া যায়, কীভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমের সাথে শিক্ষকতা-সম্পর্কিত প্রস্তুতি যুক্ত করা যায় এবং কীভাবে যৌথভাবে দক্ষ শিক্ষক তৈরি করা যায়; সেসব বিষয়ে আমরা একসাথে কাজ করতে চাই।

তিনি আরও বলেন, আমরা চাই সংগীত, নাট্যকলা ও নৃত্যকলাকে শুধু সহশিক্ষা কার্যক্রম হিসেবে নয়, বরং শিক্ষার্থীদের সামগ্রিক বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে। এজন্য কারিকুলাম উন্নয়নের পাশাপাশি দক্ষ শিক্ষক তৈরির বিষয়েও এখন থেকেই পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে।

সভায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব, দেশের ২৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিষয়ের চেয়ারম্যানসহ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ২০২৭ সালে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণির জন্য শিল্প ও সংস্কৃতি পাঠ্যবই ৪টি অধ্যায়ে চারু ও কারুকলা,সংগীত, নৃত্যকলা এবং নাট্যকলা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। আর ২০২৮ সালে নতুন কারিকুলামে বিষয়গুলো পূর্ণাঙ্গভাবে যুক্ত হবে।

 

নিউজজি/এসএম

পাঠকের মন্তব্য

লগইন করুন

ইউজার নেম / ইমেইল
পাসওয়ার্ড
নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন
copyright © 2023 newsg24.com | A G-Series Company
Developed by Creativeers