শুক্রবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২০, ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ , ১৭ রবিউস সানি ১৪৪২

ফিচার

রাসূল (সা.) এর গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ সমূহ

নিউজজি ডেস্ক অক্টোবর ৩০, ২০২০, ১২:৩৭:৫৪

  • ছবি: ইন্টারনেট

প্রিয় রাসুল আখেরি নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এই ধরায় শুভাগমন করেন আজ থেকে প্রায় ১৪৫০ বছর আগে ৫৭০ খ্রিষ্টাব্দে। ভোরের সমীরণ নিয়ে তিনি এসেছিলেন স্নিগ্ধ প্রাতঃকালে। সপ্তাহের মধ্যদিবস বরকতময় সোমবারে পদার্পণ করেন এই জগতে। এক মোহনীয় প্রতিবেশে জগৎবাসীর জন্য মানবতার মুক্তির মহান বাণী নিয়ে আসেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ অবিসংবাদিত মহামানব হজরত মুহাম্মদ (সা.)। সঙ্গে নিয়ে আসেন শান্তি, সাম্য, ঐক্য, কল্যাণের শুভ সংবাদ।

তাইতো দিনটি গোটা বিশ্বের মুসলমানদের নিকট অনেক বেশি তাৎপর্যপূর্ণ। রাসূল (সাঃ) এর জীবনী ঘিরে দুটি বিষয় আমরা পালন করে থাকি, ঈদে মিলাদুন্নবী ও সিরাতুন্নবী।

রাসূল (সাঃ) এমন একজন আদর্শিক মানুষ ছিলেন, যিনি শুধু মুসলমানদের নিকটই নয়, একজন বিশ্বস্ত মানুষ হিসেবে ভিন্ন ধর্মাবলম্বিরাও তার প্রশংসায় পঞ্চমুখ থাকতো। কাফির, মুশরিক এমনকি জানের দুশমনরাও যার সত্যবাদির জন্য তাকে ‘আল আমিন’(বিশ্বস্ত) বলে ডাকতো।

রাসূল (সা.)-এর শুভাগমনের এই দিনে উনার দেওয়া কিছু উপদেশ সম্পর্কে জানুন।

একদিন একজন লোক এসে রাসূলে পাক (সা.) কে বলল, হুজুর আমাদের কিছু নসিহত করুন।

হুজুরে পাক (সা.) বললেন, তোমরা অন্যের ধন দেখে ঈর্ষা করবে না, কারণ অন্যের ধন দেখে যারা ঈর্ষান্বিত হয় তাদের চেয়ে দরিদ্র এবং নিকৃষ্ট আর কেউ নেই। এরা আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের দুশমন। তোমরা যখন নামাজ পড়বে তখন মনে করবে এই আমার জীবনের শেষ নামাজ। আর যখন কথা বলবে তখন ওজন করে কথা বলবে। এমন কথা বলবে না যা বললে তুমি অনুতপ্ত হবে। কারণ কথা হচ্ছে ধনুকের তীরের মতো, একবার মুখ থেকে ফসকে গেলে তার ওপর তোমার আর কোনো নিয়ন্ত্রণ থাকে না।

হযরত আবু হুরায়রার থেকে বর্ণিত- মিশকাত শরীফের একটি হাদিসে আছে রাসূলে পাক (সা.) নয়টি উপদেশ দিয়েছিলেন।

আল্লাহকে প্রকাশ্যে এবং অপ্রকাশ্যে ভয় করবে।

আল্লাহর ভয় মনে রেখে ইনসাফের কথা বলবে, রাগে বা আনন্দে আল্লাহকে ভুলে যাবে না।

ধনী বা দরিদ্র যে অবস্থায়ই থাক না কেন, ইসলামে সাবেত থাকবে অর্থাৎ বিশ্বাসে অবিচল থাকবে।

আত্মীয়-স্বজন তোমাদের ত্যাগ করলে তোমরা তাদের ত্যাগ করো না।

যারা তোমাদের শান্তি কেঁড়ে নেয়, তাদের তোমরা শান্তি দেবার চেষ্টা করবে।

যারা তোমার উপর জুলুম করেছে তাদেরকে মাফ করে দেবে।

বেশির ভাগ সময় নীরবতা অবলম্বন করে আল্লাহর চিন্তায় মগ্ন থাকবে।

কথাবার্তা এবং কাজের ফাঁকে আল্লাহর জিকির অব্যাহত রাখবে।

যেখানেই থাক, মন্দ কাজ থেকে বিরত থাকবে এবং অন্যকে মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করবে।

 

নিউজজি/ এসআই

পাঠকের মন্তব্য

লগইন করুন

ইউজার নেম / ইমেইল
পাসওয়ার্ড
নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন
        









copyright © 2020 newsg24.com | A G-Series Company
Developed by Creativeers