শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ , ২২ শাওয়াল ১৪৪৭

ফিচার
  >
বিশেষ কলাম

থলের কালো বিড়াল বের হচ্ছে

মাঈনুদ্দীন দুলাল ২৩ ফেব্রুয়ারি , ২০২৬, ১৬:১০:৪৮

256
  • থলের কালো বিড়াল বের হচ্ছে

“প্রধান উপদেষ্টা সংবিধানের কোন নিয়ম অনুসরণ করেননি"। রাষ্ট্রের প্রধান ব্যাক্তি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন স্পষ্ট ভাষায় এই অভিযোগ করেছেন। একটি সংবাদমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাৎকারে ক্ষোভ এবং খেদ নিয়ে তিনি বলেছেন, অনেক অধ্যাদেশ অপ্রয়োজনে করা হয়েছে। এমনকি তাকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মতো পরিণতি করার চেষ্টা হয়েছে। ২০২৪ সালের ২২ অক্টোবর বঙ্গভবন ঘেরাওয়ের স্মৃতিচারণ করে বলেন, সেটি ছিল এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্ন। তিনি বলেন, ঐ রাত ছিল বিভীষিকাময়। সেনা বাহিনী দৃঢ়তার সাথে তাদের সর্বাধিনায়ক এবং বঙ্গভবনকে রক্ষায় এগিয়ে না আসলে বাংলাদেশে আরও এক কলঙ্কজনক অধ্যায় তৈরি হত।

রাষ্ট্রপতির যে সাংবিধানিক ক্ষমতা ও সম্মান রয়েছে ড. ইউনূস বারাবার তা লঙ্ঘন করেছেন। তাকে কাঠের পুতুল করে রেখেছেন।

আমরা স্মরণ করতে পারি বিজয় দিবসে বিভিন্ন বাহিনীর কুচকাওয়াজ ছিল আমাদের ঐতিহ্য। গত দু বছর তা হয়নি। কুচকাওয়াজে স্যালুট নেন রাষ্ট্রপতি। এখানেও কি ঈর্ষা কাজ করছে প্রধান উপদেষ্টার? তিনি নিচে বসে থাকবেন আর রাষ্ট্রপতি স্যালুট নেবেন এটা কি করে হয়?

এখন কিছুটা খোলা পরিবেশে কথা বলার সুযোগ হয়েছে রাষ্ট্রপতির তাই তিনি কিছু দুঃখ উগরে দিয়েছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা অনেকেই বলছেন বাংলাদেশকে একটি ব্যর্থ রাষ্ট্র করার সব পরিকল্পনা করা হয়েছে।

বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক দেশ যেন মবতান্ত্রিক রাষ্টে পরিণত হচ্ছিল। জুলাই সনদ, গণভোটসহ আরও অনেক বিষয়ে কৌশলে আপোষের ভান করে বিএনপিসহ কিছু দল নির্বাচন করেছে। এ ছাড়া কোন উপায় ঐ সময় ছিল না। প্রধান উপদেষ্টা থাকাকালে নানান অর্থনৈতিক ও সুবিধা তিনি ও উপদেষ্টারা নিয়েছেন, এমন অভিযোগ কেউকেউ করছেন।

তবে রাষ্ট্রপতি যদি রাষ্ট্রের মেরুদণ্ড হয়, সেই মেরুদণ্ড ভেঙ্গে দেয়ার চেষ্টা হয়েছে। এটি খুব গুরুতর অভিযোগ। রাষ্টপতি নিজেই এই অভিযোগ এনেছেন। কতটা বিরক্ত ও অসম্মানিত হলে তিনি খোলামেলা হতে পারেন এতটা?

লেখক: সাংবাদিক।

পাঠকের মন্তব্য

লগইন করুন

ইউজার নেম / ইমেইল
পাসওয়ার্ড
নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন
copyright © 2023 newsg24.com | A G-Series Company
Developed by Creativeers