মঙ্গলবার, ১৮ মে ২০২১, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮ , ৫ শাওয়াল ১৪৪২

ফিচার
  >
ইতিহাস ও ঐতিহ্য

বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণায় ইন্দিরা গান্ধীর সমর্থন

নিউজজি ডেস্ক ৩১ মার্চ , ২০২১, ১৩:৪০:৫১

  • ছবি: নিউজজি২৪

ঢাকা: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর বছর ছিল ২০২০। তাঁর শততম জন্মবার্ষিকীর দিন, ১৭ই মার্চ থেকে শুরু হয়েছে মুজিববর্ষ উদযাপন, যা চলছে এই স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর বছরও। স্বাধীন বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু একাত্মা। তিনিই একাত্তরের ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। তাঁর ডাকেই মানুষ স্বাধীনতার জন্য সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিল। 

১৯৭১ সালের ৩১শে মার্চ ভারতের লোকসভা এবং রাজ্যসভায় দেশটির প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রতি সহানুভূতি জ্ঞাপন করেন। লোকসভায় উত্থাপিত এক প্রস্তাবে বাংলাদেশের ঘটনায় গভীর উদ্বোগ প্রকাশ করা হয়। প্রস্তাবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষিত স্বাধীন বাংলার সাড়ে সাত কোটি জনতার সংগ্রামের প্রতি সহমর্মীতা ও সহায়তা দানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। 

এদিন, ঢাকায় ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বাড়ি চিহ্নিত করা শুরু করে পাকিস্তানী সামরিক হানাদার বাহিনীর দোসর মৌলবাদী-সা¤প্রদায়িক আলবদর ও আল-শামস বাহিনী। ঢাকার তাঁতিবাজার, ডেমরা, কাঠেরপুল, সাধনা ঔষধালয় থেকে শুরু করে আশপাশের এলাকায় হিন্দু এবং আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের সন্ধানে নামে তারা। শুরু হয়, অপরাশেন সার্চলাইট-২ নামে দ্বিতীয় দফায় হত্যাযজ্ঞ ও লুটপাট।

এদিন নড়াইলে জনতা বিক্ষোভ মিছিল করে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে রাজবন্দীদের মুক্ত করে। 

১৯৭১ সালের ৩১শে মার্চ কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকায় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের চিত্র প্রকাশিত হয় এমন বর্ণনায়-- “কুমিল্লা থেকে শ্রীহট্ট পর্যন্ত বিস্তৃত পূর্ব রণাঙ্গণে মুক্তিফৌজ সীমান্তবর্তী সব কয়টি ঘাটি দখল করে নিয়েছে। মঙ্গলবার সবচাইতে নৃশংস সংগ্রাম চলেছে চট্টগ্রামে। উত্তর মর্ধ রণাঙ্গণে ময়মনসিংহ মুক্তিফৌজের হাতে এসেছে। যশোর ক্যান্টনমেন্ট দখলের জন্য সোমবার প্রচন্ড লড়াই হয়। সম্ভবত উভয় পক্ষই আগামী দিনে তীব্রতর দীর্ঘস্থায়ী সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত হচ্ছেন।”

পাঠকের মন্তব্য

লগইন করুন

ইউজার নেম / ইমেইল
পাসওয়ার্ড
নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন
copyright © 2021 newsg24.com | A G-Series Company
Developed by Creativeers