বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২ , ২ রমজান ১৪৪৭

জীবনযাত্রা

২০২৬ সালে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ

নিউজজি ডেস্ক জানুয়ারী ৮, ২০২৬, ১৪:২০:০০

159
  • ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা: ২০২৬ সালের সম্পর্ক মানে শুধু ভালোবাসা নয়; এটি সচেতনতা, বোঝাপড়া এবং দায়িত্ব নিয়েও গড়ে ওঠে। প্রতিদিনের ছোট ছোট অভ্যাস, মনোযোগ এবং সম্মানজনক সীমারেখা সম্পর্ককে শক্তিশালী রাখে। মার্কিন সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ জিলিয়ান টুরেকি বছরের পর বছর ধরে দেখেছেন, সুস্থ ও টেকসই সম্পর্ক গড়ে ওঠে তখনই, যখন সঙ্গীরা একে অপরের সঙ্গে গভীর সংযোগ স্থাপন করে, মন দিয়ে শোনে এবং ছোট ছোট প্রশংসা ও স্বীকৃতি দিয়ে সম্পর্কের স্পার্ক বজায় রাখে।

জিলিয়ান টুরেকি মার্কিন কোচ, লেখক ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর। ইনস্টাগ্রামে তার অনুসারী ৩৫ লাখেরও বেশি। প্রায় ২০ বছরের অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি পরিচালনা করছেন জনপ্রিয় পডকাস্ট ‘জিলিয়ান অন লাভ’। সম্প্রতি তিনি ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্টে জানান, ২০২৬ সালে সুস্থ ও টেকসই সম্পর্কের জন্য কোন বিষয়গুলো সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হবে।

তার কথায়, সম্পর্কের জন্য নিজের দায়িত্ব নিজেকেই নিতে হবে। কোনো নেতিবাচক ধারণা তৈরি করার আগে সঙ্গীর সঙ্গে খোলাখুলি কথা বলুন, প্রশ্ন করুন। ভালোবাসুন এমনভাবে, যাতে সম্পর্কের ভিতরে নিরাপত্তা, বিশ্বাস এবং গভীর সংযোগ গড়ে ওঠে।চলুন দেখে নেওয়া যাক, ২০২৬ সালে সম্পর্কের ক্ষেত্রে যে পাঁচটি বিষয়কে গুরুত্ব দিতে হবে-

একসঙ্গে সময় কাটানোর সক্রিয় অভ্যাস

সম্পর্ককে প্রাণবন্ত রাখতে ছোট ছোট একসঙ্গে করা অভ্যাস অনেক সাহায্য করে। সপ্তাহে অন্তত চার দিন একসঙ্গে ৮ হাজার ধাপ হাঁটা, জিমে যাওয়া, ভ্রমণ, ব্যাডমিন্টন বা দাবা খেলা সম্পর্কের ছন্দ ধরে রাখতে সহায়ক। এছাড়া সপ্তাহান্তে সিনেমা বা সিরিজ দেখা সম্পর্কের মধ্যে নতুনত্ব বজায় রাখে।

বিয়ের পরও ডেটিং চালু রাখুন

বছরের পর বছর একসঙ্গে থাকা মানে ডেটিং বন্ধ করা নয়। সাজগোজ করে বাইরে খেতে যাওয়া, বারান্দায় বসে কফি ভাগ করা বা ছুটির দিনে নিরিবিলি গল্প করা—এসব ছোট আয়োজন সম্পর্ককে আবার নতুন করে কাছে আনে।

মন দিয়ে শোনার মানসিকতা

২০২৬ সালে সম্পর্কের সবচেয়ে বড় চাহিদা হলো আবেগগতভাবে পাশে থাকা। শুধু দৈনন্দিন খোঁজখবর নয়, বরং সঙ্গীর ভেতরের কথা মন দিয়ে শোনা জরুরি—তার চিন্তা, ভয়, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বা অতীতের কোনো কষ্ট। এতে সম্পর্ক আরও গভীর হয়।

সুস্থ সীমারেখা বজায় রাখা

ভালোবাসা মানে নিজের সবকিছু বিলিয়ে দেওয়া নয়। ব্যক্তিগত জায়গা, গোপনীয়তা এবং সম্মানজনক দূরত্ব বজায় রাখাও একটি সুস্থ সম্পর্কের অংশ, যা দু’জনের আলাদা পরিচয় রক্ষা করে এবং সম্পর্ককে শক্তিশালী করে।

ছোট প্রশংসা স্বীকৃতি

ভালোবাসা বড় কোনো নাটকীয় প্রমাণ চায় না। নিয়মিত ছোট প্রশংসা, কৃতজ্ঞতা বা সঙ্গীর চেষ্টার স্বীকৃতি সম্পর্ককে স্থিতিশীল রাখে। এতে দু’জনই নিজেদের সেরা রূপ প্রকাশে উৎসাহ পান। মনে রাখুন, দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক আসলে একটি দলগত কাজ, যেখানে একসঙ্গে এগোনোটাই সবচেয়ে বড় শক্তি।

ভবিষ্যতের সম্পর্ক মানে শুধু অনুভূতি নয়; সচেতনতা, দায়িত্ব আর পারস্পরিক বোঝাপড়ার সমন্বয়। ২০২৬ সালে ভালোবাসা টিকিয়ে রাখতে এই বিষয়গুলোই হয়ে উঠবে সবচেয়ে বড় চাবিকাঠি।

 

 

নিউজজি/এস আর

পাঠকের মন্তব্য

লগইন করুন

ইউজার নেম / ইমেইল
পাসওয়ার্ড
নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন