মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ , ২ জিলহজ ১৪৪৭

অন্যান্য
  >
বিশ্বকাপ

দ্বিতীয় দফায় বৃষ্টির আগে রিশাদ দ্যুতি, হারের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ

শামীম চৌধুরী ২১ জুন , ২০২৪, ১০:৩১:০৮

  • রিশাদের উইকেট উৎসব। ছবি-ক্রিকইনফো

বাংলাদেশ : ১৪০/৮ (২০.০ ওভারে)

অস্ট্রেলিয়া : ১০০/২ (১১.২ ওভারে)

( দ্বিতীয় দফায় বৃষ্টির আগে)

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দ্বি-পাক্ষিক টি-টোয়েন্টি  সিরিজে ৪ ম্যাচ জয়ের রেকর্ড থাকলেও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অতীতে নেই কোনো জয়।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ৫ ম্যাচের সব কটিতেই হেরেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট পরাশক্তি অস্ট্রেলিয়ার কাছে। বৈশ্বিক আসরে অস্ট্রেলিয়া কতোটা ভয়ংকর দল, এন্টিগায় তা টের পাচ্ছে বাংলাদেশ দল। আকাশে মেঘ দেখে ওয়ার্নার-হেড চওড়া করেছেন ব্যাট। এই জুটির ৪১ বলে ৬৫ রানে জয়ের পথ প্রশস্ত করেছে অস্ট্রেলিয়া। 

দ্বিতীয় দফায় বৃষ্টিতে ম্যাচ থেমে যাওয়ার আগে বাংলাদেশের ১৪০/৮ স্কোরের জবাব দিতে এসে অস্ট্রেলিয়ার স্কোর ১১.২ ওভার শেষে ১০০/২।

ডাকওয়ার্থ-লুইস মেথডে তখন ২৮ রানে এগিয়ে ছিল অস্ট্রেলিয়া। ওয়ার্নার ৩৫ বলে ৫ চার, ৩ ছক্কায় ৫৩ এবং মাক্সওয়েল ৬ বলে ১৪ রানে ব্যাটিংয়ে ছিলেন। তৃতীয় উইকেট জুটিতে এই পার্টনারশিপ ১৫ বলে ৩১ রানে অবিচ্ছিন্ন ছিল। 

বাংলাদেশ বোলারদের মধ্যে লেগ স্পিনার রিশাদ পেয়েছেন ৩ ওভারের স্পেলে ( ৩-০-২৩-২) ২ উইকেট পেয়েছেন। প্রথম দফায় বৃষ্টিতে ২৫ মিনিট খেলা স্থগিত থাকার পর খেলা পুনরায় শুরু হলে রিশাদ ট্র্যাভিস হেড-কে করেছেন বোল্ড (২১ বলে ৩ চার, ২ ছক্বায় ৩১)। রিশােদের পরের ওভারে সুইপ করতে যেয়ে মার্শ হয়েছেন এলবিডাব্লু (৬ বলে ১)।  

১৪১ রানের চ্যালেঞ্জে ব্যাট করতে নেমে স্থানীয় সময় রাত ১১টা ১০ মিনিটে প্রথম দফায় বৃষ্টি আক্রান্ত করার আগে অস্ট্রেলিয়ার স্কোর ছিল ৬৪/০। তখন ওয়ার্নার ১৮ বলে ৩২ এবং ট্রাভিস হেড ২০ বলে ৩১ রানে ব্যাটিংয়ে ছিলেন। 

 গ্রুপ রাউন্ডে নেদারল্যান্ডস ছাড়া অন্য কোনো প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ব্যাটিংটা ভাল হয়নি বাংলাদেশ দলের। সে কারনেই সুপার এইটে ব্যাটারদের ফর্মে ফেরার তাড়া ছিল। সুপার এইটে বাংলাদেশ ক্রিকেটারদের নিজেদের মতো খেলার পূর্ণ স্বাধীণতা দিয়েছেন হেড কোচ। কোচের এই নির্দেশনা পালনে সাধ্যমত চেষ্টা করেছেন বাংলাদেশ ব্যাটাররা। টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশ করেছে ১৪০/৮। 

কোচের সবুজ সংকেত পেয়ে এন্টিগায় ছন্দ ফিরে পেয়েছেন শান্ত (৩৬ বলে ৫ চার, ১ ছক্কায় ৪১)। হৃদয় বাংলাদেশ ভক্তেদের হৃদয় জিতেছেন (২৮ বলে ২ চার, ২ ছক্বায় ৪০)। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে শান্ত-লিটন ৪৮ বলে ৫৮ রান যোগ করে দলকে চ্যালেঞ্জিং পুঁজির আবহ দিয়েছেন। শেষ পাওয়ার প্লে-তে ৪ উইকেট হারিয়ে ৪২ রান যোগ করেছে বাংলাদেশ।

শেষ পাওয়ার প্লে-তে স্কোরটা আরও বাড়তে পারতো। তবে ১৮তম ওভারের শেষ দুই বলে মাহমুদউল্লাহ বোল্ড (৩ বলে ২) এবং শেখ মেহেদী আপার কাট করতে যেয়ে ক্যাচ দিয়ে গোল্ডেন ডাক পেয়ে (১ বলে ০) কামিন্সকে হ্যাটট্রিকের স্বপ্ন দেখিয়েছেন। শেষ ওভারের প্রথম বলে হৃদয় স্কুপ করতে যেয়ে ফাইন লেগে ক্যাচ দিলে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ৭ম বোলার হিসেবে প্যাট কামিন্স করেছেন হ্যাটট্রিক।

২০০৭ সালে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের অভিষেক আসরে ব্রেট লি'র পর অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় হ্যাটট্রিকম্যান কামিন্স। আশ্চর্য হলেও সত্য, দুটিই বাংলাদেশের বিপক্ষে।

এই ম্যাচে বাংলাদেশ ব্যাটাররা ভুগেছে লেগ স্পিনার জাম্পার বলে (৪-০-২৪-২)। কামিন্সও শেষ পাওয়ার প্লে;র দুই ওভারে (২-০-১২-৩) ভুগিয়েছেন বাংলাদেশকে। 

পাঠকের মন্তব্য

লগইন করুন

ইউজার নেম / ইমেইল
পাসওয়ার্ড
নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন
copyright © 2023 newsg24.com | A G-Series Company
Developed by Creativeers