মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ , ২ জিলহজ ১৪৪৭

অন্যান্য
  >
বিশ্বকাপ

ডি ককের দ্রুততম ফিফটি, ইংল্যান্ডকে বড় চ্যালেঞ্জ দিতে পারেনি প্রোটিয়ারা

শামীম চৌধুরী ২১ জুন , ২০২৪, ২২:২৭:১১

  • ডি কক-কে হেনরিকসের অভিনন্দন। ছবি-ক্রিকইনফো

দক্ষিণ আফ্রিকা : ১৬৩/৬ (২০.০ ওভারে)

যে জিতবে, ১ ম্যাচ হাতে রেখে সেমিফাইনালের দরজায় কড়া নাড়বে সে। সেন্ট লুসিয়ায় এমন এমনটা সমীকরণের ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকা বড় চ্যালেঞ্জ দিতে পারেনি ইংল্যান্ডকে। প্রথমে ব্যাট করে থেমেছে দক্ষিণ আফ্রিকা ১৬৩/৬-এ।  

সর্বশেষ ৫০ ওভারের বিশ্বকাপে কী দুর্দান্ত পারফর্মই না করেছেন ডি কক। বিশ্বকাপের ওই আসরে ৪ সেঞ্চুরিতে আলো ছড়িয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার এই টপ অর্ডার। চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে গ্রুপ রাউন্ডে কথা বলেনি তার ব্যাট।

তবে সুপার এইটে এসেই ছড়াচ্ছেন তিনি দ্যুতি। এন্টিগায় যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে সুপার এইটে প্রথম ম্যাচে ৭৪ রানের পর শুক্রবার সেন্ট লুসিয়ায় ইংল্যান্ডের বিপক্ষে করেছেন ৬৫।

চলমান আসরে দ্রুততম ফিফটি (২২ বলে) করেছেন এদিন তিনি। ডি কক-এর টানা দ্বিতীয় ফিফটিতে (২৮ বলে ৪ চার, ৪ ছক্কায় ৬৫) ভর করে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১৬৩/৬করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা।

টসে জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাটিং পাওয়ার প্লে-তে দক্ষিণ আফ্রিকা ব্যাটারদের আঁতকে দিতে পারেনি ইংল্যান্ড বোলাররা। ব্যাটিং পাওয়ার প্লে-তে ডি কক ঝড়ে দক্ষিণ আফ্রিকার স্কোর ৬৩/০। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে মঈন আলীকে পর পর দুই বলে চার, ছক্কায় ব্যাটটা চওড়া করেছেন ডি কক।

৪র্থ ওভারে আরচ্যারকে মেরেছেন টানা ৩ বলে ৬,৬,৪। এই আরচ্যারের বলে বাটলারের উড়ন্ত ক্যাচে পরিণত হয়েছেন ডি কক। হাফ সেঞ্চুরির ইনিংসের পথে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে আড়াই হাজারী ক্লাবের সদস্যপদ পেয়েছেন ডি কক। হেনরিকসকে নিয়ে ৫৯ বলে ৮৬ রানের ওপেনিং পার্টনারশিপে দিয়েছেন ডি কক নেতৃত্ব। তবে ডি কক-এর এই ইনিংসটি উদ্বুদ্ধ করেনি টিমমেটদের।

শেষ পাওয়ার প্লে-কে কাজে লাগাতে পারেনি দক্ষিণ আফ্রিকা। বাটলারের অবিশ্বাস্য ফিল্ডিং এবং ডেথ ওভারে আরচ্যারের স্পেলে (২-০-১২-১) প্রত্যাশিত স্কোর হয়নি দক্ষিণ আফ্রিকার। ইংল্যান্ড লেগ স্পিনার আদিল রশিদ এই ম্যাচেও প্রতিপক্ষের উপর ছড়িয়েছেন আতঙ্ক (৪-০-২০-১)। অফ স্পিনার মঈন আলী দিয়েছেন প্রথম ব্রেক থ্রু। হেনরিকসকে  (২৫ বলে ১৯) মিড অনে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেছেন। 

 ‘এখানকার কন্ডিশন একেবারেই আলাদা। আগের ম্যাচে (নেপালের বিপক্ষে) বল ঘুরেছে। কিন্তু আজকের উইকেট ফ্ল্যাট ছিল। ব্যাটিংয়ের জন্য বেশ ভালো ছিল। আমরা আগের চেয়ে ভালো ব্যাটিং করেছি ঠিকই। তবে আমাদের ১৬০ থেকে ১৭০ রান করা উচিত ছিল।’

অ্যান্টিগার পিচ ও কন্ডিশনের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নিতে না পারার কারণেই কি হেরে গেল বাংলাদেশ—অস্ট্রেলিয়ার এক সাংবাদিকের এই প্রশ্নে নাজমুলের উত্তর, ‘না, আমি তেমনটা মনে করি না। (পেশাদার) খেলোয়াড় হিসেবে আমাদের সব ধরনের উইকেটেই মানিয়ে নিতে হবে। উইকেট বেশ ভালো ছিল। কিন্তু আমরা পরিকল্পনামাফিক খেলতে পারিনি। বিশেষ করে নতুন বলে পাওয়ারপ্লেতে ভালো করতে পারিনি। শেষ ৫–৬ ওভারে ফিনিশিংও ভালো হয়নি। এ সময় আমরা অনেক উইকেট হারিয়েছি। শেষটা ভালো করতে পারলে ১৬০ থেকে ১৭০ রান হতে পারত।’

‘কেন পারছি না, সেটা বলা মুশফিক। আমার কাছে মনে হয়, দলের সবার সেই (বড় ইনিংস খেলার) সামর্থ্য আছে। অতীতে বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন সময় করেও দেখিয়েছে। কিন্তু (বিশ্বকাপে) কেন হচ্ছে না, এই প্রশ্নের উত্তর আমার কাছেও নেই। সবাইকে তার স্বাভাবিক খেলাটা খেলার স্বাধীনতাও দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কোনোভাবেই হচ্ছে না।’

পাঠকের মন্তব্য

লগইন করুন

ইউজার নেম / ইমেইল
পাসওয়ার্ড
নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন
copyright © 2023 newsg24.com | A G-Series Company
Developed by Creativeers