সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩০ , ১৬ শাবান ১৪৪৫

খেলা

মিরপুরের উইকেট নিয়ে ধোঁয়াশায় হাতুরুসিংহে

শামীম চৌধুরী ডিসেম্বর ৫, ২০২৩, ১৪:৫৪:৫৬

332
  • নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্টের আগের দিনকিউরেটর গামিনি সিলভা মাঠকর্মীদের নিয়ে আলোচনা করছেন।ছবি-শামীম চৌধুরী

সিলেটে নিউ জিল্যান্ডকে ১৫০ রানে হারিয়ে মিরপুর টেস্টে অবতীর্ন হচ্ছে বাংলাদেশ বাংলা ওয়াশের লক্ষ্য নিয়ে। একাধিক টেস্টের সিরিজে বাংলাদেশের জয়ের রেকর্ড ৪টি। যার মধ্যে তিনটিতে প্রতিপক্ষকে হোয়াইট ওয়াশ করার গর্ব আছে। হোমে এই সংখ্যাটি ২।

২০১৪ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৩-০, ২০১৮ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২-০তে জয়ের অতীত আছে বাংলাদেশের। মিরপুর টেস্টে নিউ জিল্যান্ডকে হারাতে পারলে একাধিক টেস্টের সিরিজে ৪র্থ বারের মতো হোয়াইট ওয়াশের আনন্দে মেতে উঠেবে বাংলাদেশ। 

শের-বাংলা স্টেডিয়ামে টেস্ট রেকর্ডে সাফল্যাঙ্কে এখনও পিছিয়ে বাংলাদেশ। ২৬ টেস্টে ৮টি জয়ের বিপরীতে হার ১৫টিতে। ড্র হয়েছে সেখানে ৩ টি। তবে ২০১৪ সালের অক্টোবরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এই ভেন্যুর প্রথম টেস্ট জয় থেকে বদলে গেছে বাংলাদেশ।

এই ভেন্যুর সর্বশেষ ১৫ টেস্টের মধ্যে ৮টিতে জিতেছে বাংলাদেশ। হেরেছে ৬টিতে, ড্র-১টি। ২০১৬ সালে টেস্ট পরাশক্তি ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১০৮ রান এবং ২০১৭ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ২০ রানে জয়ের রেকর্ড আছে এই সময়ে।

গত ১১ বছরের শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে টেস্ট অধ্যায়ের পুরোটা সময়জুড়ে কিউরেটরের দায়িত্ব পালন করেছেন শ্রীলঙ্কান গামিনি সিলভা। বাংলাদেশ দলের হেড কোচ হাতুরুসিংহে তার স্বদেশী। সে কারনেই মিরপুরের উইকেটের বৈশিষ্ট্য হাতুরুসিংহের ভালই জানারকথা।

তবে মিরপুর টেস্টের এক দিন আগেও শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের উইকেট নিয়ে ধোঁয়াশায় কোচ হাতুরুসিংহে-‘কখনো কখনো মাঠে নামার আগে আপনি বুঝবেন না পিচ কেমন আচরণ করতে যাচ্ছে, এমনকি কয়েকটা সেশন খেলার পরও বোঝা যায় না অনেক সময়, যেহেতু এখানে অনেক বেশি খেলা হয়... আমার মনে হয় না বিশ্বের আর কোনো মাঠে এত বেশি খেলা হয়, যতটা এই মাঠে হয়ে থাকে। তো আমরা চেষ্টা করব খুব বেশি পরিবর্তন না করতে।এটা পিচের অবস্থার ওপর নির্ভর করবে। আর অবশ্যই আমাদের শক্তিমত্তার ওপরও।’

সিলেটের সঙ্গে মিরপুরের উইকেট এবং কন্ডিশনের পার্থক্য থাকায় মিরপুর টেস্টের একাদশ গঠন নিয়ে ভাবনায় আছেন হাতুরুসিংহে-‘সিলেটে আমরা আমাদের শক্তি আর কন্ডিশনের ওপর ভিত্তি করেই দলটা বানিয়েছিলাম। মিরপুরে শেষ টেস্টটা আমরা খেলেছি আফগানিস্তানের বিপক্ষে। সেই পিচটা  ভিন্ন ধরণের ছিল।তখন আমরা ৩ ফাস্ট বোলার নিয়ে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম আমরা। যদি আপনার মনে থাকে, এর আগের ম্যাচটা ছিল আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে, যেখানে উইকেটটা ভিন্ন ছিল।  এখানে অনেকদিন ক্রিকেট ম্যাচ হয়নি। পিচটা তৈরি করার সুযোগ ছিল। তো  আমাদের এখন সব ধরনের স্কিলসেট আছে। সেটা এখন যেমন ইচ্ছা আমরা ব্যবহার করতে পারি। সেটা এখন দলের জন্য বেশ ভালো।’

টেস্টে যে বল ব্যবহার করা হচ্ছে, সেই ডিউক বল জাতীয় ক্রিকেট লিগে (এনসিএল)ও ব্যবহৃত হয়েছে। পিচের উপর ঘাসও আছে। তাই স্পিনার নির্ভর দল হবে না, স্পিন-পেস উভয় আক্রমনে গুরুত্ব দেয়া হবে, তা নিয়ে ভাবছেন হাতুরুসিংহে-‘ডিউক বল ব্যবহার করে বোর্ড বেশ ভালো কাজ করেছে। পিচেও এখন অনেক ঘাস আছে। সেটা যেমন বোলারদের সাহায্য করবে, ব্যাটারদেরও করবে ফাস্ট বোলিং মোকাবিলা করতে।’ 

পাঠকের মন্তব্য

লগইন করুন

ইউজার নেম / ইমেইল
পাসওয়ার্ড
নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন