বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই ২০২৪, ১০ শ্রাবণ ১৪৩১ , ১৮ মুহররম ১৪৪৬

খেলা

শেষ মিনিটের গোলে ফাইনালে ইংল্যান্ড

শামীম চৌধুরী জুলাই ১১, ২০২৪, ০৪:১১:০১

259
  • গোলের পর ওয়াটকিন্সের উল্লাস। ছবি-ইন্টারনেট

ইংল্যান্ড ২: নেদারল্যান্ডস ১

ডর্টমুণ্ডে যে জিতবে, ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে উঠবে সে। ১৯৮৮ সালে ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের ট্রফি জয়ের তিন যুগ পর এমন সম্ভাবনাকে সামনে রেখে ডর্টমুণ্ডে সেমিফাইনালে অবতীর্ন হয়েছিল টোটাল ফুটবলের জনক দেশ নেদারল্যান্ডস।

তবে সেমিফাইনালে টোটাল ফুটবলের চেনারূপে দেখা যায়নি নেদারল্যান্ডসকে। সেমি'র বাধা পেরুতে পারেনি কমলা জার্সিধারীরা।  

ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম ১৫টি আসরে ট্রফি জয় দূরে থাক, ফাইনালেরই নাগাল পায়নি ফুটবলের জনক ইংল্যান্ড। হ্যারি কেন-এর নেতৃত্বে সেই ইংল্যান্ডই বদলে গেছে। উপর্যুপুরি দুই আসরে ফাইনালের নাগাল পেয়েছে ইংল্যান্ড। 

 সেমিফাইনালে প্রকৃত টিম গেম শো করে ২-১ গোলে জিতে ২০২০ সালের পর চলমান ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপেরও ফাইনালে উঠে গেছে ইংল্যান্ড।

বলের নিয়ন্ত্রন, পাস-দু'দিকেই এদিন এগিয়েছিল ইংল্যান্ড। তবে সাউথগেটের শিষ্যরা খেলা গুছিয়ে নেয়ার আগে করেছে গোল হজম। খেলার ৯ম মিনিটের মাথায় ডান প্রান্ত দিয়ে ইংল্যান্ড ডিফেন্ডার রাইসের পা থেকে বল কেঁড়ে নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সিমন্স একক প্রচেষ্টায় দ্রুতগতিতে ঢুকে ডি বক্সের মাথার উপর থেকে নিয়েছেন তীব্র গতির শট। সেই বুলেট গতির শটে এগিয়ে যায় নেদারল্যান্ডস (১-০)। 

৬১ হাজার দর্শকের উপস্থিতিতে গোল হজম করে তেঁতে উঠেছে ইংল্যান্ড। খেলার ১৮ মিনিটের সময় সাকার শট নেদারল্যান্ডস গোলরক্ষক ফিষ্ট করে ফিরিয়ে দিলেও বাঁচাতে পারেননি দলকে। ফিরতি বলে জটলার মধ্যে হ্যারি কেন যখন শট নিয়েছিলেন, তখন তার পাঁ লক্ষ্য করে ডাচ ডিফেন্ডারের ফাউল রেফারির চোখ এড়িয়ে গিয়েছিল।

তবে ইংল্যান্ড খেলোয়াড়দের আপীলে 'ভার'-এ ফাউল ধরা পড়ায় পেনালিন্ট পেয়েছে ইংল্যান্ড। হ্যারি কেন-এর পেনাল্টি শটে গোলরক্ষককে বোনা বনে গেছেন। হ্যারি কেন নিয়েছেন বাঁ কোনা দিয়ে শট, ডাচ গোলরক্ষক ঝাঁপ দিয়েছেন ডান দিকে (১-১)। চলমান আসরে ৩টি গোলে সবার উপরে যৌথভাবে অবস্থান করছেন হ্যারি কেন। আন্তর্জাতিক ফুটবলে এটি তার ৬৬তম গোল।

প্রথমার্ধেই এগিয়ে যেতে পারতো ইংল্যান্ড। তিনবার পেয়েছিল তারা সুযোগ। ২৩ এবং ২৭ মিনিটে ইংল্যান্ড স্ট্রাইকার ফিল ফোডেনের নেয়া শট গোল লাইন থেকে কাকতালীয়ভাবে সেভ করেছেন গোলরক্ষক এবং এক ডিফেন্ডার। ৩৩ মিনিটের সময় ফোডেনের নেয়া তীব্র শট ক্রস পিচে লেগে প্রতিহত হলে জয়সূচক গোলের জন্য অপেক্ষা বেড়েছে ইংল্যান্ডের।

৮১তম মিনিটে হ্যারি কেনকে বসিয়ে ওলে ওয়াটকিন্সকে মাঠে নামানোর সিদ্ধান্তটা ছিল যথার্থ। বদলি খেলোয়াড় হিসেবে নেমে কাজের কাজটা করেছেন এই উপরিভাগের ফুটবলার। খেলার নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটে (৯০) পালমারের পাস থেকে বাঁ প্রান্ত থেকে তার নেয়া শট জাল স্পর্শ করলে (২-১) টানা দ্বিতীয়বার ইউরোর ফাইনালে ওঠার আনন্দে ফেটে পড়েছে সাউথগেটের শিষ্যরা। 

আগামী ১৪ জুলাই বার্লিন অলিম্পিক স্টেডিয়ামে ট্রফির লড়াইয়ে স্পেনের বিপক্ষে অবতীর্ন হবে ইংল্যান্ড। প্রথম সেমিফাইনালে ফ্রান্সকে ২-১ গোলে হারিয়ে ৪র্থবারের মতো ফাইনালে উঠেছে স্পেন।

পাঠকের মন্তব্য

লগইন করুন

ইউজার নেম / ইমেইল
পাসওয়ার্ড
নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন