শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ , ২৭ রজব ১৪৪৭

খেলা

তাইজুল-নাঈমের ঘূর্ণিতে প্রথম দিন বাংলাদেশের

ক্রীড়া ডেস্ক এপ্রিল ২৮, ২০২৫, ১৯:০৯:২৬

203
  • ছবি: ইন্টারনেট

চট্টগ্রাম টেস্টের প্রথম দিনের দ্বিতীয় সেশন শেষ হওয়ার পর অনেকটা বিরক্তির প্রকাশ পেয়েছিল বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়দের চোখে-মুখে। তবে শেষ সেশেনে চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়ামের আকাশে দেখা যায় মেঘ। অন্ধকার ঢেকে যায় চারপাশ।  ঠিক সে সময়ে বাংলাদেশকে আশার আলো দেখান স্পিনার নাঈম হামান। পরপর দুই ওভারে নেন ২টি উইকেট। এদিকে শেষ বিকেলে তাইজুল ইসলাম ১৭ বলের মধ্যে তিন উইকেট নিয়ে বাংলাদেশকে দারুণভাবে ম্যাচে ফেরান। শেষ পর্যন্ত ঐ দুই স্পিনারের নৈপুণ্যে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের প্রথম দিন নিজেদের করে নিয়েছে টিম টাইগার্স। 

প্রথম দিন শেষে জিম্বাবুয়ে থেমেছে ৯ উইকেট ২২৭ রানে। দিনের শুরুটা অবশ্য ভালোই হয়েছিল জিম্বাবুয়ে। ২ উইকেটে ৮৯ রান তুলে লাঞ্চ বিরতিতে যায় সফরকারীরা। মনে হচ্ছিল চট্টগ্রাম টেস্টের প্রথম ইনিংসে বড় সংগ্রহই গড়তে চলেছে সফরকারীরা, বাংলাদেশের জন্য দিনটি হতে চলেছে হতাশার। শেষ সেশনে পাশার দান যেন উল্টে দিলেন নাঈম হাসান ও তাইজুল ইসলাম। দুইজনের ঘূর্ণিতে ১৭৭/২ থেকে ২১৭/৯–এর দলে পরিণত হলো জিম্বাবুয়ে। এরপর শেষ উইকেট জুটিতে অবিচ্ছিন্ন ১০ রান যোগ করে ২২৭ রানে প্রথম দিন শেষ করল তারা। 

সকালের সেশনে দুই উইকেট তুলে নেওয়ার পর শন উইলিয়ামসকে সঙ্গে নিয়ে জিম্বাবুয়েকে বড় সংগ্রহের পথে তিনি নিয়ে যাচ্ছিলেন ওয়েলচ। বাংলাদেশের ফিল্ডার আর বোলারদের ব্যর্থতায় তাদের ফেরানোটা মনে হচ্ছিল বেশ দুরূহ কাজ। কিন্তু চা–বিরতির পর ব্যথা আর সহ্য করতে না পেরে ৫৪ রানে থাকতেই মাঠ ছাড়তে হয় ওয়ালচকে।

ওয়েলচের পর উইকেটে আসা ক্রেইগ আরভিনই প্রথম শিকার হন নাঈমের। এরপর ৬৭ রান করে শন উইলিয়ামসও ফিরে যান তানজিমের দুর্দান্ত ক্যাচে। 

শেষ দিকে তাইজুল দেখান স্পিন ভেলকি। জিম্বাবুয়েকে বলতে গেলে একাই ধসিয়ে দিয়েছেন তিনি। শুরুটা করেছিলন ওপেনার বেন কারানকে ফিরিয়ে। নাঈমের জোড়া উইকেটের পর ওয়েসলি মাধেভেরে তাঁর বলেই ক্যাচ দিয়ে দেন উইকেটের পেছনে দাঁড়ানো জাকের আলীর হাতে।

নতুন বল নেওয়ার পর আরও অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেন তাইজুল। ৮০তম ওভারে বোলিংয়ে এসে তৃতীয় বলেই ছক্কা খেয়েছিলেন ওয়েলিংটন মাসাকাদজার হাতে। তাঁকে এলবিডব্লিউ করার পরের বলে রিচার্ড এনগারাভাকে আউট করে জাগিয়ে তুলেছিলেন হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা। হ্যাটট্রিকটা তাইজুল করতে পারেননি। তবে আরও দুটি উইকেট নিয়ে জিম্বাবুয়ের ব্যাটিংয়ের শেষ ডেকে আনেন তিনিই।

তাইজুল শেষ উইকেটটি নেন  রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে ড্রেসিংরুমে ফেরা ওয়েলচের।, যিনি আবার মাঠে নামার পর তাঁকে আর একটি রানও যোগ করতে দেননি বাংলাদেশের বাঁহাতি স্পিনার।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

জিম্বাবুয়ে ১ম ইনিংস: ৯০ ওভারে ২২৭/৯ (উইলিয়ামস ৬৭, ওয়েলচ ৫৪, বেনেট ২১, কারেন ২১; তাইজুল ৫/৬০, নাঈম ২/৪২, তানজিম ১/৪৯)।

নিউজজি/সিআর

পাঠকের মন্তব্য

লগইন করুন

ইউজার নেম / ইমেইল
পাসওয়ার্ড
নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন