শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ , ২৯ শাওয়াল ১৪৪৭

খেলা

হালান্ডের ৫ গোল, নরওয়ের ১১

ক্রীড়া ডেস্ক সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৫, ১০:০৪:১৬

217
  • হালান্ডের ৫ গোল, নরওয়ের ১১

পাগলাটে এক ম্যাচে গোল উৎসবে মেতে উঠলেন আর্লিং হালান্ড ও তার সতীর্থ থেলো আসগার্ড। দুজন মিলে একের পর বল পাঠালেন জালে। মলদোভার রক্ষণ চূর্ণ-বিচূর্ণ করে বিশাল ব্যবধানে জিতল হালান্ডের দেশ নরওয়ে। ইউরোপিয়ান অঞ্চলের বিশ্বকাপ বাছাইয়ে মলদোভাকে ১১-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে নরওয়ে। ঘরের মাঠে মঙ্গলবার রাতের ম্যাচটিতে একাই ৫ গোল করেছেন হালান্ড। আর আসগার্ডের নামের পাশে গোলসংখ্যা ৪টি।
 
বাকি দুই গোল করেন মার্টিন ওডেগার্ড ও ফেলিক্স হর্ন মায়রি। ম্যাচে মলদোভার একমাত্র গোলটিও মূলত নরওয়েরই করা। দ্বিতীয়ার্ধে আত্মঘাতী গোলে অতিথিদের কিছুটা আনন্দের উপলক্ষ্য এনে দেন লিও স্কিরি ওস্তিগার্ড। নরওয়ের বিশাল এই জয় ইউরোপিয়ান অঞ্চলের বিশ্বকাপ বাছাইয়ের রেকর্ড। ১৯৯৬ সালের বাছাইয়ে লিচেন্সটেইনের বিপক্ষে সমান ১১-১ গোলে জিতেছিল মেসেডোনিয়া।
 
সব মিলিয়ে এ নিয়ে তিনবার ম্যাচে ১১ গোল করল নরওয়ে। ফিনল্যান্ডের বিপক্ষে ১৯৪৬ সালে ১২-০ গোলের জয় তাদের রেকর্ড।ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটে ফেলিক্সের গোলে এগিয়ে যায় নরওয়ে। এরপর শুরু হয় হালান্ডের ঝড়। পাঁচ মিনিট পরই নিজের প্রথম গোল করেন তিনি। ৩৬ মিনিটের সময় করেন দ্বিতীয় গোল।
 
বিরতিতে যাওয়ার আগে মলদোভার জালে হালি পূরণ করে নিজের হ্যাটট্রিক তুলে নেন মুখে তিন সেলাই নিয়ে খেলতে নামা হালান্ড। জাতীয় দলের হয়ে এটি তার পঞ্চম হ্যাটট্রিক। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে দলের পঞ্চম গোলটি করেন ওডেগার্ড। দ্বিতীয়ার্ধে ফিরে আরও ৬টি গোল দেয় নরওয়ে।
 
বদলি হিসেবে নেমে ১৩ মিনিটের মধ্যে হ্যাটট্রিক করেন আসগার্ড। ম্যাচের ৬৭, ৭৬ ও ৭৯ মিনিটের প্রথম তিন গোল করেন তিনি। এর আগে ৫২ মিনিটে নিজের চতুর্থ ও দলের ষষ্ঠ গোলটি করেন হালান্ড।
 
আসগার্ডের তিন গোলের মাঝে ৭৪ মিনিটের সময় নিজেদের জালে গোল করে বসেন বদলি হিসেবে নামা অস্তিগার্ড। সেটি অবশ্য তেমন কোনো সমস্যাই করেনি দলের। ম্যাচের ৮৩ মিনিটে দশম ও নিজের পঞ্চম গোলটি করেন হালান্ড। জাতীয় দলের হয়ে ৪৫ মিনিটে তার গোল হয়ে গেল ৪৮টি। আর চলতি বাছাইয়ে ৯টি।
 
অতিরিক্ত যোগ করা করা সময়ের প্রথম মিনিটে আসগার্ডের গোলে বিশাল জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে নরওয়ে। এই জয়ের ৫ ম্যাচে পূর্ণ ১৫ পয়েন্ট নিয়ে 'আই' গ্রুপের শীর্ষস্থান আরও মজবুত করেছেন হালান্ডরা। এক ম্যাচ কম খেলে ৯ পয়েন্ট নিয়ে দুই নম্বরে ইতালি।
 
১৯৯৮ সালের পর আর বিশ্বকাপ খেলতে পারেনি নরওয়ে। ২০০০ সালের ইউরো কাপের পর বড় কোনো টুর্নামেন্টে দেখা যায়নি তাদের। এবার এই ছন্দ ধরে রাখতে পারলে দীর্ঘ অপেক্ষা দূর হবে দলটির। 

 

পাঠকের মন্তব্য

লগইন করুন

ইউজার নেম / ইমেইল
পাসওয়ার্ড
নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন
copyright © 2023 newsg24.com | A G-Series Company
Developed by Creativeers