শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ , ২ সফর ১৪৪৮

খেলা

এমবাপ্পের রেকর্ড, সেনেগালকে হারিয়ে বিশ্বকাপে শুভসূচনা ফ্রান্সের

ক্রীড়া ডেস্ক জুন ১৭, ২০২৬, ১৪:৩৩:৪৬

138
  • সংগৃহীত

২৪ বছর আগে ২০০২ সালে সেনেগালের কাছে বিশ্বকাপে হেরেছিল ফ্রান্স। তবে মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় সেই দুঃসহ স্মৃতি মুছে ফেলল ফরাসিরা। সে সময় জাতীয় দলের হয়ে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড গড়লেন এমবাপে, দুই অর্ধে দুই রকম পারফরম্যান্সে বিশ্বকাপে শুভসূচনা করল ফেভারিট ফ্রান্স।

নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার ‘আই’ গ্রুপের ম্যাচটি ৩-১ গোলে জিতেছে ফ্রান্স। ফরাসিদের মঙ্গলবার রাতে এগিয়ে দেন এমবাপে। এরপর বদলি নেমেই ব্যবধান বাড়ান ব্র্যাডলি বার্কোলা। শেষ দিকে সেনেগাল একটি গোল শোধ করার পরই, দর্শনীয় দ্বিতীয় গোলে আবার ব্যবধান বাড়ান এমবাপে।

বিশ্বকাপের আগে জাতীয় দলের হয়ে টানা তিন ম্যাচে গোল পাননি এমবাপে। তবে বিশ্ব মঞ্চে শুরুতে ঠিকই জ্বলে উঠলেন তিনি। চার বছর আগের বিশ্বকাপ ফাইনালে করেছিলেন হ্যাটট্রিক, এবার প্রথম ম্যাচেই জোড়া গোল। বিশ্বকাপে এমবাপের মোট গোল হলো ১৪টি। সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড স্পর্শ করতে চায় আর দুটি। একটি রেকর্ড অবশ্য এই ম্যাচেই গড়ে ফেলেছেন তিনি। অলিভিয়ে জিঁরুকে (৫৭) ছাড়িয়ে ফ্রান্সের রেকর্ড গোলস্কোরার এখন এমবাপে (৫৮)।

মঙ্গলবার শুরু থেকে বল দখলে ফ্রান্স আধিপত্য করলেও কোন দলই পারছিলোন না জালের দেখা পেতে। পানি পানের বিরতির আগে ২৫তম মিনিটে এগিয়ে যেতে পারত সেনেগাল। ফ্রান্সের আক্রমণ ঠেকিয়ে পাল্টা আক্রমণ শাণায় তারা। সতীর্থের পাস ধরে বাঁ দিক দিয়ে বক্সে ঢুকে শট নেন নিকোলাস জ্যাকসন, কিন্তু বল পোস্টে লেগে গোলরক্ষকের গায়ে লেগে বাইরে চলে যায়।

প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের শেষ মিনিটে সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করেন সেনেগালের ইসমাইলা সার। বক্সে কাছ থেকে উড়িয়ে মারেন তিনি। এটিই হয়ে থাকে প্রথমার্ধের শেষ কিক।

৫৪তম মিনিটে বক্সে ঢুকে মাইকেল ওলিসের নেওয়া শট এগিয়ে এসে রুখে দেন গোলরক্ষক এদুয়াঁ মঁদি। বল তার পায়ে লেগে বাইরে যায়। চার মিনিট পর আরেকটি দারুণ সেভ করেন তিনি।

গোলের জন্য বেশিক্ষণ অপেক্ষায় থাকতে হয়নি এমবাপেকে। ৬৬তম মিনিটে ওলিসের পাস বক্সে পেয়ে প্রথম স্পর্শে আলতো শটে গোলরক্ষকের পাশ দিয়ে জালে পাঠান তিনি। একটু পর সেনেগাল বল ফ্রান্সের জালে পাঠালেও অফসাইডের কারণে গোল মেলেনি।

এদিকে ৮০তম বদলি নামা বার্কোলা ৮২তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। মাঝমাঠ থেকে আদ্রিওঁ রাবিওর বাড়ানো বল ধরে বক্সে ঢুকে আগুয়ান গোলরক্ষকের মাথার ওপর দিয়ে জালে পাঠান তিনি।

আট মিনিট যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে ব্যবধান কমিয়ে নাটকীয় কিছুর আভাস দেয় সেনেগাল। ইব্রাহিম এমবায়ের শট গোলরক্ষকের হাতে লেগে জালে জড়ায়। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যে ব্যবধান বাড়িয়ে সব অনিশ্চয়তার ইতি টানেন এমবাপে।

দুর্দান্ত এই গোলেই এমবাপ্পে ছাড়িয়ে গেলেন জিরুকে। ৯৯ ম্যাচে ৫৮ গোলে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ গোলদাতা এখন রিয়াল মাদ্রিদ ফরোয়ার্ড। পাশাপাশি বিশ্বকাপে এমবাপ্পের গোল এখন ১৪। অর্থাৎ বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ

গোলদাতা মিরোস্লাভ ক্লোসাকে ছুঁতে এমবাপ্পের প্রয়োজন মাত্র ২ গোল। চূড়ায় উঠতে প্রয়োজন ৩ গোল। যেভাবে বিশ্বকাপের শুরুটা তিনি করলেন তাতে সেই রেকর্ড ভাঙা এখন মনে হচ্ছে সময়ের ব্যাপারই।

 

নিউজজি/সিআর

 

পাঠকের মন্তব্য

লগইন করুন

ইউজার নেম / ইমেইল
পাসওয়ার্ড
নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন
copyright © 2023 newsg24.com | A G-Series Company
Developed by Creativeers