রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ , ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

খেলা

বাংলাদেশকে সমীহ করছে অস্ট্রেলিয়ার ক্যাপ্টেন

ক্রীড়া ডেস্ক আগস্ট ১২, ২০২৬, ১৪:২৪:৩৫

168
  • সংগৃহীত

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তাদেরই মাটিতে ২৩ বছর পর টেস্ট খেলতে নামবে বাংলাদেশ। সিরিজটি দুই টেস্টের, এর মধ্যে প্রথমটির ভেন্যু মারারা স্টেডিয়াম। সেখানে বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার সকাল ৬.৩০ টায় অজিদের মুখোমুখি হবে টিম টাইগার্স। আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন জানিয়ে দিলেন, স্বাগতিকদের বিপক্ষে ৫ দিনেই লড়াই করতে চান। 

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ শুরুর আগে একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচে স্বাগতিক একাদশের বিপক্ষে ২ দিনেই হেরেছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ইনিংসে টাইগাররা গুটিয়ে যায় ৫৬ রানে। তাই বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হতে যাওয়া সিরিজের প্রথম টেস্টে টাইগাররা কতটা লড়াই করতে পারবে  তা নিয়েই সংশয় আছে কারও কারও মনে। তিন দিনের প্রস্তুতি ম্যাচে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের বিপক্ষে ইনিংস ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ। টেস্ট ম্যাচে লড়াইয়ের সামর্থ্য নিয়ে তাই সংশয় জাগাটা অস্বাভাবিক কিছু নয়।

এ নিয়ে তাই খুব একটা দুশ্চিন্তাও নেই নাজমুলের, ‘একেকটা সেশন গুরুত্বপূর্ণ। চার দিন যাবে, পাঁচ দিন যাবে, নাকি তিন দিন যাবে—এ ধরনের আলোচনা থাকবেই। কিন্তু খেলোয়াড় হিসেবে আমাদের সব সময় লক্ষ্য থাকবে যে আমরা কত ভালো ক্রিকেট খেলতে পারি।’

২০০৩ সালে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সর্বশেষ টেস্ট খেলেছিল বাংলাদেশ। ওই সিরিজের দুই ম্যাচেই তারা হেরেছিল ইনিংস ব্যবধানে। তারপর অবশ্য বাংলাদেশ দল অনেকটাই বদলে গেছে। টেস্টে সাম্প্রতিক সময়ে পারফরম্যান্সও উজ্জ্বল। তবু অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে ব্যবধান এখনো অনেক। তাই আপাতত নিজেদের নিয়েই ভাবছেন শান্ত, ‘কাউকে বাড়তি প্রেরণা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। সবাই জানে এখানে একটা বড় স্কোর, ৫ উইকেট, দল হিসেবে ভালো করা—এসব আমাদের নিজেদের জন্য ও আমাদের দলের ভবিষ্যতের জন্য খুব ভালো কাজে দেবে। এ প্রেরণাই সবার ভেতর কাজ করছে। আমার দেখে মনে হচ্ছে, ভালো করতে সবাই অনেক আত্মবিশ্বাসী।’

বাংলাদেশের জন্য চ্যালেঞ্জ হতে পারে অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনও। সেখানকার উইকেটে সাধারণত সুবিধা পান পেসাররা। মারারা স্টেডিয়ামে বসানো হয়েছে ড্রপ ইন পিচ।

এমন উইকেটে ব্যাটিংয়ের টোটকাও দিয়ে রাখলেন নাজমুল, ‘আমার মনে হয়, নতুন বলে সব সময় সব জায়গায় চ্যালেঞ্জ থাকে, এখানে হয়তো একটু বেশি থাকবে। এখানে যতক্ষণে আমরা ব্যাটিং করব, যে-ই ব্যাটিং করবে, যার যার সহজাত খেলাটা খেলবে এবং রানের জন্য খেলবে। লম্বা সময় মনোযোগ ধরে রেখে ব্যাটিং করাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, তারা খুবই ভালো বোলিং অ্যাটাক। তাই এই অ্যাটাককে ঠিকমতো সামলাতে হলে আমাদের অবশ্যই আরও অনেক বেশি মনোযোগ এবং ভালো চিন্তাভাবনা নিয়ে ব্যাটিং করতে হবে।’

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সাদা পোশাকে খেলার সুযোগ খুব একটা পায় না বাংলাদেশ। দুই যুগের বেশি সময় পর এই ফরম্যাটে সুযোগ আসায় দলকে বড় সুযোগ হিসেবেই দেখছেন তিনি। শান্তর স্পষ্ট বার্তা—প্রস্তুতি ম্যাচে যা-ই হোক না কেন, মূল লড়াইয়ে ইতিবাচক মানসিকতা নিয়েই মাঠে নামবে বাংলাদেশ।

নিউজজি/সিআর

পাঠকের মন্তব্য

লগইন করুন

ইউজার নেম / ইমেইল
পাসওয়ার্ড
নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন
copyright © 2023 newsg24.com | A G-Series Company
Developed by Creativeers