মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ , ৫ সফর ১৪৪৮

খেলা
  >
ফুটবল

সান ম্যারিনোকে হারিয়ে ইতিহাস বাংলাদেশের

ক্রীড়া ডেস্ক ৬ জুন , ২০২৬, ১০:৫৬:৪০

146
  • সংগৃহীত

প্রথমবার ইউরোপের কোনো দলের বিপক্ষে তাদের মাঠে খেলতে নেমেই নিজেদের মেলে ধরে বাংলাদেশ দল। প্রথমার্ধে এগিয়ে যাওয়ার পর লাল-সবুজরা গোলও হজম করে। তবে শেষ দিকে আবার জালে বল পাঠান তপু বর্মন। সে সুবাদে সান ম্যারিনোকে হারিয়ে নতুন ইতিহাস গড়ল টমাস ডুলির দল।

আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে শুক্রবার সান ম্যারিনোকে ২-১ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ।

কোচ ডুলির একাদশ দেখেই বোঝা গিয়েছিল, রক্ষণভাগ সামলে সমতা খোঁজার চিরাচরিত এশিয়ান মানসিকতা নিয়ে তিনি দল মাঠে নামাননি। গোলরক্ষক মিতুল মারমাকে পোস্টের নিচে রেখে দলকে দাঁড় করিয়েছিলেন ৪-৩-৩ ফরমেশনে, যার মূল লক্ষ্যই আক্রমণ।

বাংলাদেশও স্রেফ কোনো আকস্মিক প্রতি–আক্রমণের ওপর ভিত্তি করে ম্যাচ জেতেনি; বরং বলের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের পায়েই রেখেছে। পুরো ম্যাচে ৫৪ শতাংশ বলের দখল ধরে রাখা এবং ২৪৪টি সফল পাস খেলা সেই দক্ষতারই প্রমাণ।

ম্যাচ জয়ের নায়ক ডিফেন্ডার তপু বর্মণ। ম্যাচের ১৯ মিনিটে যখন বাংলাদেশ প্রথম লিড নেয়, সেটি ছিল সেট-পিসের এক দারুণ ফসল। ডুলির দল পুরো ম্যাচে কর্নার পেয়েছিল মাত্র দুটি, কিন্তু সেই সীমিত সুযোগেরই সর্বোচ্চ ব্যবহার করেন তপু।

৮৬ মিনিটে ম্যাচ ১-১ গোলে সমতা, ড্রয়ের দিকে যাচ্ছিল ম্যাচ, তখনই আবার ত্রাতা বনে যান তপু, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের মাথার ওপর দিয়ে তপুর নেওয়া নিখুঁত হেডটি খুঁজে নেয় কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য। সব মিলিয়ে বলা যায়, বাতাসে ভেসে আসা বলে ইউরোপীয় ডিফেন্ডারদের দারুণভাবে পরাস্ত করেছে বাংলাদেশ।

‎অবশ্য প্রথমার্ধের ৩১ মিনিটে জিয়াকোপেত্তির গোলে সান মারিনো যখন সমতায় ফেরে, তখন বাংলাদেশ ড্রেসিংরুমে ভর করেছিল দুশ্চিন্তা। বিরতির পর কোচ ডুলির পরিকল্পনায় সেই দুশ্চিন্তা আর থাকেনি। দ্বিতীয়ার্ধে একাদশে তিনি ৬টি পরিবর্তন আনেন। তার এ নীতি বাংলাদেশের আক্রমণকে করে আরও গতিশীল। যার ফলে সান মারিনোর ক্লান্ত রক্ষণভাগ ক্রমাগত ভুল করতে বাধ্য হয়। শেষ পর্যন্ত সফল হয় বাংলাদেশ। যে কারনে জয়ের পর লাল-সবুজ প্রতিনিধিদের উল্লাসটা একটু বেশিই হয়।

 

নিউজজি/সিআর

পাঠকের মন্তব্য

লগইন করুন

ইউজার নেম / ইমেইল
পাসওয়ার্ড
নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন
copyright © 2023 newsg24.com | A G-Series Company
Developed by Creativeers