শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ , ২২ শাওয়াল ১৪৪৭

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

মঙ্গলবার বছরের প্রথম সূর্যগ্রহণ

নিউজজি ডেস্ক ১৫ ফেব্রুয়ারি , ২০২৬, ১৫:৪০:৪১

174
  • ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা: ২০২৬ সালের প্রথম সূর্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি)। বিরল এই মহাজাগতিক ঘটনা দেখতে বিশ্বজুড়ে জ্যোতির্বিজ্ঞানপ্রেমীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ। এটি একটি বলয়াকার সূর্যগ্রহণ, যা জনপ্রিয়ভাবে ‘রিং অব ফায়ার’ বা আগুনের বলয় নামে পরিচিত।

জ্যোতির্বিজ্ঞান অনুযায়ী, বলয়াকার সূর্যগ্রহণ ঘটে তখনই, যখন চাঁদ সূর্য ও পৃথিবীর মাঝামাঝি অবস্থান নেয় কিন্তু পৃথিবী থেকে কিছুটা দূরে থাকে। এ কারণে চাঁদ সূর্যকে পুরোপুরি আড়াল করতে পারে না। ফলে সূর্যের প্রান্তে উজ্জ্বল বলয়ের মতো অংশ দৃশ্যমান থাকে—যা আকাশে আগুনের বৃত্তের মতো দেখায়। এই দৃষ্টিনন্দন দৃশ্যই ‘রিং অব ফায়ার’ নামে পরিচিত।

নাসার দেয়া তথ্যানুযায়ী, পৃথিবী, সূর্য এবং চন্দ্র মহাকাশে নিজ কক্ষপথে অবিরত পরিভ্রমণকালে সূর্য, চন্দ্র এবং পৃথিবী এক সরলরেখায় অবস্থান করলে, অর্থাৎ চন্দ্র পৃথিবী এবং সূর্যের মধ্যে অবস্থানকালে কিছু সময়ের জন্য চন্দ্রের ছায়া পৃথিবীতে পড়লে সূর্যগ্রহণ ঘটে। সাধারণত চন্দ্র, পৃথিবী এবং সূর্যের অবস্থানের তারতম্যের কারণে বিভিন্ন প্রকার সূর্যগ্রহণ পরিলক্ষিত হয় (পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ, আংশিকগ্রাস সূর্যগ্রহণ, বলয়াকারগ্রাস সূর্যগ্রহণ)।

ফোর্বসের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বছরের প্রথম সূর্যগ্রহণ শুরু হবে ১৭ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭টা ১ মিনিটে (ইউটিসি)। আর স্পেস ডটকমের তথ্য অনুযায়ী, বলয়াকার এই সূর্যগ্রহণ সর্বোচ্চ প্রায় ২ মিনিট ২০ সেকেন্ড স্থায়ী হতে পারে। এ সময় চাঁদ সূর্যের কেন্দ্রীয় অংশের প্রায় ৯৬ শতাংশ ঢেকে দেবে।

তবে বাংলাদেশ ও ভারতের আকাশ থেকে এই গ্রহণ দেখা যাবে না। কারণ গ্রহণের সময় সূর্য দুই দেশের দিগন্তের নিচে থাকবে। এছাড়া ঘটনাটি মূলত দক্ষিণ গোলার্ধে সংঘটিত হওয়ায় দক্ষিণ এশিয়ার এই অঞ্চল থেকে তা দৃশ্যমান হবে না। সর্বোচ্চ গ্রহণ দেখা যাবে অ্যান্টার্কটিকায়, বিশেষ করে কনকর্ডিয়া ও মিরনি গবেষণা কেন্দ্র থেকে। দক্ষিণ আফ্রিকা অঞ্চলের দক্ষিণ আফ্রিকা, তানজানিয়া, জাম্বিয়া ও জিম্বাবুয়ে আংশিকভাবে গ্রহণটি দেখতে পাবে।

আবহাওয়াবিদ জে অ্যান্ডারসন তার ওয়েবসাইট ইকলিপস ফুল.কম-এ লিখেছেন, ‘সম্ভবত খুব অল্পসংখ্যক মানুষই বলয়াকার অঞ্চলের ভেতর থেকে এই গ্রহণটি দেখতে পারবেন। কারণ স্থানটি অত্যন্ত দুর্গম এবং বলয় ছায়ার ভেতরে মাত্র দুটি বসতিপূর্ণ স্থান রয়েছে, যেগুলো পর্যটকদের গ্রহণের জন্য উপযুক্ত নয়।’ এছাড়া দক্ষিণ আমেরিকার আর্জেন্টিনা ও চিলির কিছু অংশ থেকেও গ্রহণটি দেখা যাবে।

সূত্র: এনডিটিভি

 

নিউজজি/এস আর

পাঠকের মন্তব্য

লগইন করুন

ইউজার নেম / ইমেইল
পাসওয়ার্ড
নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন
copyright © 2023 newsg24.com | A G-Series Company
Developed by Creativeers