বুধবার, ২ ডিসেম্বর ২০২০, ১৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ , ১৫ রবিউস সানি ১৪৪২

বিদেশ

টাইগ্রের গুরুত্বপূর্ণ দুই শহর দখলের দাবি ইথিওপিয়ার

নিউজজি ডেস্ক ২১ নভেম্বর , ২০২০, ১৯:৫০:২৫

  • ছবি: ইন্টারনেট

ঢাকা: উত্তরাঞ্চলীয় টাইগ্রে অঞ্চলের স্বাধীনতাকামী যোদ্ধাদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ দুটি শহর দখলের দাবি করেছে ইথিওপিয়ার সরকারি বাহিনী। শুক্রবার সরকারি এক বিবৃতিতে আক্সাম ও আদুয়া শহর দুটি দখলের দাবি করা হয়। এদিকে, দুই পক্ষের সংঘাত বৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে জরুরি মানবিক সহায়তার প্রয়োজন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

গত দুই সপ্তাহ ধরে ইথিওপিয়ার সরকারি বাহিনী ও স্বাধীনতাকামী টাইগ্রে পিপলস লিবারেশন ফ্রন্ট পার্টির (টিপিএলএফ) মধ্যে লড়াই চলছে। ইতোমধ্যে এই লড়াইয়ে এক হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এছাড়া অঞ্চলটি থেকে পালিয়ে প্রতিবেশী দেশ সুদানে শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় নিয়েছে হাজার হাজার মানুষ। ওই অঞ্চলের এক সেনা ঘাঁটিতে হামলার জন্য প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ টিপিএলএফ বাহিনীকে দায়ী করে তাদের বিরুদ্ধে অভিযানের নির্দেশ দিলে এই লড়াই শুরু হয়।

শুক্রবার ইথিওপিয়ার সরকারি বিবৃতিতে, ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ দুটি শহর দখলের দাবি করে বলা হয়, তাদের বাহিনী এবার অঞ্চলটির রাজধানী মেকেল্লে থেকে ১২০ কিলোমিটার উত্তরের শহর আদিগ্রাত অভিমুখে অগ্রসর হচ্ছে। টিপিএলএফ বাহিনীর প্রতি ইঙ্গিত করে ওই বিবৃতিতে বলা হয়, ‘জান্তাদের বহু যোদ্ধা আত্মসমর্পণ করেছে।’

লড়াই শুরুর পর থেকেই টাইগ্রে অঞ্চলের টেলিফোন লাইন ও ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে রাখায় কোনও পক্ষের দাবিকেই নিরপেক্ষভাবে যাচাই করার সুযোগ পাচ্ছে না আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো। তবে জানা যাচ্ছে, প্রায় পাঁচ লাখ মানুষের শহর টাইগ্রের আঞ্চলিক রাজধানী মেকেল্লের দখল নিতে একাধিক দিক থেকে অভিযান চালাচ্ছে ইথিওপিয়ার সরকারি বাহিনী।

টাইগ্রে অঞ্চলের স্বাধীনতাকামী প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র গেটাচিউ রেডা শুক্রবার এক টেলিভিশন ভাষণে দাবি করেন, মেকেল্লের দক্ষিণে রায়া এলাকায় তাদের যোদ্ধারা শত্রু বাহিনীর সদস্যদের হতাহত হওয়ার পরিমাণ ক্রমেই বাড়িয়ে দিচ্ছে। টাইগ্রেয়ান টিভির খবরে আরও বলা হয়, তাদের যোদ্ধারা দক্ষিণাঞ্চলের মেহোনি এবং উত্তরপূর্বাঞ্চলের জালামবেসা এলাকা থেকে শত্রু বাহিনীকে হটিয়ে দিয়েছে।

উল্লেখ্য, ইথিওপিয়ার নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ প্রতিবেশীর সঙ্গে সুসম্পর্ক প্রতিষ্ঠায় বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত নাম। তবে নিজ দেশের স্বাধীনতাকামী অঞ্চল টাইগ্রেতে শান্তি ফেরাতে তেমন পদক্ষেপ নেননি তিনি। উল্টো ব্যাপক রাজনৈতিক সংস্কারের নামে টাইগ্রেয়ানদের কোণঠাসা করে ফেলার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

নিউজজি/ এস দত্ত

 

পাঠকের মন্তব্য

লগইন করুন

ইউজার নেম / ইমেইল
পাসওয়ার্ড
নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন
        









copyright © 2020 newsg24.com | A G-Series Company
Developed by Creativeers