সোমবার, ৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ , ২২ জিলহজ ১৪৪৭

বিদেশ

হরমুজে শত্রুর যুদ্ধজাহাজ রুখতে ইরানের ‘ডলফিন’ মোতায়েন

নিউজজি ডেস্ক ১১ মে , ২০২৬, ১২:০৬:৩৩

91
  • সংগৃহীত

ঢাকা: হরমুজ প্রণালিতে নিজস্ব প্রযুক্তিতে নির্মিত বিশেষ হালকা সাবমেরিন মোতায়েন করেছে ইরান। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এ জলপথে ব্যবহৃত সাবমেরিনগুলো ইরানি নৌবাহিনীর কাছে ‘পারস্য উপসাগরের ডলফিন’ নামে পরিচিত বলে জানানো হয়। খবর তাসনিম নিউজ।

রোববার রাতে এক বিবৃতিতে ইরানের নৌবাহিনী প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল শাহরাম ইরানি বলেন, শত্রুপক্ষের সম্ভাব্য যুদ্ধজাহাজ মোকাবিলা এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোরদারে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, বিদ্যমান হুমকি, সামরিক সক্ষমতা ও কৌশলগত প্রয়োজন বিবেচনায় এসব হালকা সাবমেরিনের সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালির সমুদ্রতলেও এগুলোর অবস্থান নিশ্চিত করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, এই সাবমেরিনগুলো হরমুজ প্রণালির কৌশলগত জলসীমার তলদেশে দীর্ঘ সময় অবস্থান করতে সক্ষম এবং সেখান থেকেই তারা শত্রু জাহাজ শনাক্ত ও ধ্বংস করতে পারে।

নৌবাহিনী কমান্ডারের মতে, এই হালকা সাবমেরিনগুলো নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ও সদস্যদের কাছে সাধারণত ‘পারস্য উপসাগরের ডলফিন’ নামে পরিচিত।

তিনি আরো জানান, সম্প্রতি মার্কিন হামলায় ‘ডেনা’ নামক ইরানি জাহাজে নিহত নাবিকদের স্মরণে আয়োজিত এক বিশেষ অভিযানে এই ডলফিন সাবমেরিনগুলো অংশ নেয়। প্রদর্শনীর অংশ হিসেবে এগুলো হরমুজ প্রণালিতে পানির উপরিভাগে ভেসে ওঠে ও নিজেদের সামরিক শক্তি প্রদর্শন করে। বিভিন্ন কৌশলগত মহড়া শেষে সাবমেরিনগুলো আবারো সমুদ্রের গভীরে তাদের নির্ধারিত মিশনে ফিরে গেছে।

বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের একটি বড় অংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। এই অঞ্চলে ‘ডলফিন’ সাবমেরিন মোতায়েনের মাধ্যমে ইরান তার নৌ-প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার এক নতুন শক্তির জানান দিল বলে মনে করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা।

রিয়ার অ্যাডমিরাল শাহরাম ইরানি জোর দিয়ে বলেন, যেকোনো ধরনের বিদেশি আগ্রাসন রুখে দিতে এবং দেশের জলসীমা সুরক্ষায় ইরান এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী ও স্বয়ংসম্পূর্ণ।

 

 

নিউজজি/এস আর

পাঠকের মন্তব্য

লগইন করুন

ইউজার নেম / ইমেইল
পাসওয়ার্ড
নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন
copyright © 2023 newsg24.com | A G-Series Company
Developed by Creativeers