রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ , ৬ জুমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

বিদেশ

নেপালে বন্যাকবলিত এলাকায় সাংবাদিকদের জন্য নতুন নির্দেশনা

নিউজজি ডেস্ক ৬ সেপ্টেম্বর , ২০২৬, ১৫:২৬:১৪

78
  • সংগৃহীত

ঢাকা: হিমবাহ ধসে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে দায়িত্ব পালনকারী সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও সংবাদ সংগ্রহের বিষয়ে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে নেপাল সরকার। পাশাপাশি বন্যাকবলিত ভোতেকোশি ও ত্রিশূলী নদীর তীরবর্তী অঞ্চলে কাজ করতে যাওয়া বিদেশি সাংবাদিকদের জন্য প্রেস অ্যাক্রেডিটেশন নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (এনডিআরআরএমএ) জানায়, দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় সাংবাদিকদের কাজের জন্য তথ্য ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয় নিরাপত্তা ও কর্মপদ্ধতি সংক্রান্ত প্রটোকল জারি করেছে। নির্দেশনায় সাংবাদিকদের বৈধ প্রেস পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখার পাশাপাশি নিরাপত্তা ও উদ্ধারকাজে নিয়োজিত কর্মীদের দেওয়া নির্দেশনা যথাযথভাবে মেনে চলতে বলা হয়েছে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, সাংবাদিকদের নির্ধারিত পথ ও চলাচলের বিধিনিষেধ মেনে চলতে হবে। কর্তৃপক্ষ সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিলে তা মানতে হবে। অনুমতি ছাড়া সক্রিয় উদ্ধার এলাকায় প্রবেশ করা যাবে না এবং উদ্ধারকাজে কোনো ধরনের বাধা সৃষ্টি করা যাবে না। একই সঙ্গে নিষিদ্ধ বা সীমিত অপারেশন এলাকায় প্রবেশ এবং আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রম করা যাবে না।

বিদেশি সাংবাদিকদের জন্য আলাদা প্রক্রিয়ার কথাও জানিয়েছে নেপালের তথ্য বিভাগ। বন্যাকবলিত ভোতেকোশি ও ত্রিশূলী নদীর তীরবর্তী এলাকায় সংবাদ সংগ্রহ করতে হলে তাদের অনলাইনে প্রেস অ্যাক্রেডিটেশন ও সাংবাদিক পরিচয়পত্রের জন্য আবেদন করতে হবে।

আবেদনের সময় বিদেশি সাংবাদিকদের পাসপোর্ট ও বৈধ ভিসার কপি, নিজ নিজ সংবাদমাধ্যমের পরিচয়পত্র এবং নিয়োগপত্র বা চুক্তিপত্র জমা দিতে হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমের সুপারিশপত্র এবং সাংবাদিকের নিজ দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, দূতাবাস বা কনস্যুলার অফিসের সুপারিশপত্রও প্রয়োজন হবে।

তবে নেপালের তথ্য বিভাগের মুখপাত্র গোবিন্দ প্রসাদ পাণ্ডে জানিয়েছেন, বিদেশি সাংবাদিকদের প্রেস পাস দেওয়ার এই প্রক্রিয়া নতুন কোনো নীতি নয়। দীর্ঘদিন ধরে দেশটির বিদ্যমান বিধি ও প্রক্রিয়ার আওতায় এটি চালু রয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে বন্যাকবলিত এলাকায় কাজ করা বিদেশি সাংবাদিকদের ক্ষেত্রেও সেই প্রক্রিয়া কার্যকর করা হয়েছে।

গত ২৬ আগস্ট নেপাল-তিব্বত সীমান্তের কাছে বরফ ও পাথরের ধস থেকে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় দেশটির উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ হয়। ভোতেকোশি নদীর পানির তোড়ে ঘরবাড়ি, যানবাহন, সড়ক ও সেতু ভেসে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত হয় একাধিক জলবিদ্যুৎ প্রকল্পও। বন্যায় এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৩০০ জনের বেশি নিহত এবং প্রায় ৫ হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।

 

নিউজজি/এস আর

পাঠকের মন্তব্য

লগইন করুন

ইউজার নেম / ইমেইল
পাসওয়ার্ড
 নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন
copyright © 2023 newsg24.com | A G-Series Company
Developed by Creativeers