রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ , ২৪ সফর ১৪৪৮

সাহিত্য

রক্ত, প্রেম ও বৃষ্টির মহাকাব্য: পাবলো নেরুদা

বাহাউদ্দিন গোলাপ ১৩ জুলাই , ২০২৬, ২০:৪৭:১৯

402
  • রক্ত, প্রেম ও বৃষ্টির মহাকাব্য: পাবলো নেরুদা

​বিশ শতকের বিশ্বসাহিত্যে যে কজন মানুষ শব্দকে একই সাথে প্রেমের ফুল আর অন্যায়ের বিরুদ্ধে ধারালো অস্ত্র বানাতে পেরেছিলেন, তাঁদের মধ্যে চিলির পাবলো নেরুদা চিরভাস্বর। ১৯০৪ সালের ১২ জুলাই চিলির পারাল নামক একটি ছোট শহরে যখন রিকার্দো এলিয়েসের নেফতালি রেইয়েস বাসোয়ালতো জন্ম নেন, তখন কেউ ভাবেনি এই অতি সাধারণ ব্যবস্থার ঘুণে ধরা নিয়ম ভেঙে তিনিই একদিন হয়ে উঠবেন বিশ্বমানুষের কণ্ঠস্বর। জন্মের মাত্র দুই মাস পরেই তাঁর মা রোসা নেফতালি যক্ষ্মা রোগে মারা যান। মায়ের স্নেহহীন শৈশব আর রেলশ্রমিক বাবার কঠোর শাসনের মধ্য দিয়ে বড় হতে হতে চিলির দক্ষিণাঞ্চলের তেমুকোর গভীর অরণ্য, অবিরাম বৃষ্টি আর সমুদ্রের গর্জন তাঁর মনে এক অদ্ভুত একাকীত্ব ও প্রকৃতির প্রতি গভীর প্রেম বুনে দেয়। বাবা চাননি ছেলে কবি হোক, কিন্তু কিশোর বয়সেই চিলির এই ভাবুক ছেলেটি চেক কবি জান নেরুদার নামানুসারে নিজের নাম বদলে রাখলেন 'পাবলো নেরুদা'। ঠিক সেই বয়সেই এক নিঃশব্দ ভোরে তাঁর জীবনে কবিতার অভিষেক ঘটেছিল, যা নিয়ে পরবর্তীতে তিনি তাঁর আত্মজীবনীতে লিখেছিলেন—"আর কবিতা এসে আমায় ছুঁয়ে গেল... আমি জানতাম না কী বলব, আমার মুখ খোলেনি, চোখ ছিল অন্ধ, অথচ আমার আত্মার ভেতর তখন কিছু একটা জেগে উঠেছিল।" (Confieso que he vivido: Memorias)

নেরুদার জীবন কোনো সস্তার রূপকথা ছিল না, তা ছিল রুটি-রুজি, কূটনীতি আর তীব্র রাজনৈতিক ঝড়ের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে এক সাধারণ মানুষের টিকে থাকার লড়াই। মাত্র বিশ বছর বয়সে ১৯২৪ সালে যখন তাঁর 'কুড়িটি প্রেমের কবিতা এবং একটি নিরাশার গান' (Veinte poemas de amor y una canción desesperada) প্রকাশিত হয়, তখন লাতিন আমেরিকা ছাড়িয়ে গোটা বিশ্বের তরুণ হৃদয় এক অদ্ভুত প্রেমের মায়াজালে জড়িয়ে পড়ে। কিন্তু জীবন তাঁকে কেবল প্রেমের কবি করে রাখেনি। তরুণ বয়সে জীবিকার তাগিদে রেঙ্গুন, কলম্বো ও সিঙ্গাপুরে চিলির দূত হিসেবে কাজ করার সময় তিনি যে চরম নিঃসঙ্গতার মুখোমুখি হন, তা রূপ নেয় তাঁর 'পৃথিবীতে বসবাস' (Residencia en la tierra) নামক গভীর মনস্তাত্ত্বিক কাব্যে। সেখানে কলম্বো বা রেঙ্গুনের একাকীত্বে নেরুদা চারপাশের জড় বস্তুগুলোর ক্ষয় ও পচনের মাঝে নিজের অস্তিত্বের সংকট খুঁজে পেয়েছিলেন, যা তাঁর কবিতাকে এক পরাবাস্তব রূপ দেয়। এরপর স্পেনের গৃহযুদ্ধ তাঁর জীবনের মোড় পুরোপুরি ঘুরিয়ে দেয়। পরম বন্ধু ও কবি ফেদেরিকো গার্সিয়া লোরকার নির্মম হত্যাকাণ্ড নেরুদাকে রোমান্টিকতার খাঁচা থেকে বের করে এনে দাঁড় করিয়ে দেয় ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য রাজপথে। চিলির কমিউনিস্ট পার্টিতে যোগ দেওয়া, খনি শ্রমিকদের অধিকারের জন্য লড়াই করা এবং স্বৈরশাসক গঞ্জালেস ভিদেলার চোখ ফাঁকি দিয়ে আন্দিজ পর্বতমালা পেরিয়ে পাহাড়ি পথে দেশত্যাগের সেই কষ্টের দিনগুলো নেরুদাকে মাটির মানুষের আরও কাছে নিয়ে যায়। তাঁর রাজনৈতিক বিশ্বাসে কখনো কখনো স্তালিনবাদের প্রতি অন্ধ সমর্থনের মতো অতি-বামপন্থী বিচ্যুতির ছায়া পড়লেও, শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষের প্রতি তাঁর গভীর মানবিক দায়বদ্ধতেই জয়ী হয়েছে।

শব্দের কারিগর হিসেবে পাবলো নেরুদা চিলির মাটিকে ছুঁয়েছিলেন ঠিকই, কিন্তু তাঁর সৃষ্টির ব্যাপ্তি ছিল মহাবিশ্বের আদিম ক্যানভাসের মতো সুবিশাল। তাঁর কাব্যযাত্রার বিবর্তনকে যদি আমরা একটি বহমান নদীর সাথে তুলনা করি, তবে দেখা যাবে তা প্রথম যৌবনের তীব্র ব্যক্তিগত অনুভূতির মোহনা থেকে ক্রমশ মানবমুক্তির এক মহাসমুদ্রে গিয়ে মিশেছে। 'কুড়িটি প্রেমের কবিতা এবং একটি নিরাশার গান'-এ তিনি মূলত প্রেমকে এক ঐশ্বরিক একাকীত্বের আয়নায় রূপ দিয়েছিলেন। সেখানে নারীদেহ আর চিলির সুনীল প্রকৃতি মিলেমিশে একাকার হয়ে গিয়েছিল; তিনি গেয়েছিলেন, "আমার রাত কাটে তোমার চোখের নিবিড় ছায়ায়" (Poema 16)। কিন্তু স্পেনের গৃহযুদ্ধের রক্তপাত চূর্ণবিচূর্ণ করে দেয় তাঁর সেই বিষণ্ন নির্জনতার দেয়াল। তিনি বুঝতে পারেন, যখন চারপাশ পুড়ে ছারখার হয়ে যাচ্ছে, তখন শুধু নিজের দুঃখ নিয়ে কবিতা লেখা এক ধরণের অপরাধ। এই গভীর আত্মোপলব্ধি থেকেই জন্ম নেয় তাঁর জীবনের মহাকাব্যিক সৃষ্টি 'সাধারণ গান' (Canto General)। এই বিপুল সৃষ্টিকে লাতিন আমেরিকার এক অনন্য 'জাতীয় বাইবেল' বলা চলে, যা আসলে সময়ের বুক চিরে বের করে আনা এক মহাজাগতিক দলিল। ইনকা সভ্যতার প্রাচীন গৌরব থেকে শুরু করে আন্দিজের চূড়া, আমাজনের অরণ্য আর সাধারণ খনি শ্রমিকের ঘাম—সবকিছুকে তিনি এক সুতোয় বেঁধেছেন। এর অন্তর্গত 'মাচু পিচুর চূড়া' (Las alturas de Macchu Picchu) কবিতায় তিনি যখন প্রাচীন ইনকা দুর্গের ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে আদিম পূর্বপুরুষদের উদ্দেশ্যে বলেন, "উঠে এসো, আমার ভাই, আমার সাথে জন্ম নাও..." (Canto General) তখন কবিতা আর কেবল ছন্দ থাকে না, তা হয়ে ওঠে হাজার বছরের শোষিত-বঞ্চিত মানুষের পুনরুত্থানের মন্ত্র।

নেরুদার সৃষ্টির আরেকটি অসাধারণ ও নান্দনিক দিক হলো সাধারণ তুচ্ছ জিনিসের মাঝে অসামান্য গভীরতা খুঁজে পাওয়া, যা তাঁর 'প্রতিদিনের সাধারণ বস্তুর বন্দনা' (Odas elementales) কাব্যে মূর্ত হয়েছে। উচ্চমার্গীয় ও জটিল তত্ত্বের বেড়াজাল থেকে কবিতাকে মুক্ত করে তিনি এক জোড়া পুরোনো মোজা, টেবিলের ওপর রাখা টমেটো, একটি সাধারণ পেঁয়াজ কিংবা সমুদ্রের লবণের জয়গান গেয়েছেন। একটি সাধারণ পেঁয়াজকে তিনি যখন বলেন "স্বচ্ছ বরফের তৈরি এক আলোকময়ী পরী," (Oda a la cebolla) তখন পাঠকের চোখের সামনে নিত্যদিনের চেনা পৃথিবীটা এক অপার্থিব সৌন্দর্যে উদ্ভাসিত হয়ে ওঠে। এটি ছিল নেরুদার এক গভীর সমাজতান্ত্রিক নান্দনিকতা—যেখানে তিনি প্রমাণ করেছিলেন যে মহৎ শিল্প সৃষ্টি করতে কোনো অলৌকিক বা দূরবর্তী বিষয়ের প্রয়োজন নেই, মানুষের বেঁচে থাকার প্রতিটি অতি সাধারণ অনুষঙ্গই একেকটি অনন্য দর্শন। তিনি শব্দকে কখনো মাটির পাত্রের মতো নিরেট ও খাঁটি করেছেন, আবার কখনো তাকে সমুদ্রের ঢেউয়ের মতো উত্তাল ও গতিময় করে তুলেছেন। আর এই কারণেই তাঁর সৃষ্টিকর্ম কালকে জয় করে মানুষের হৃদয়ের চিরস্থায়ী সম্পত্তিতে পরিণত হয়েছে। নেরুদা মনে করতেন, কবির কাজ শুধু আকাশের তারা গোনা নয়, বরং সেই তারার আলোয় পৃথিবীর অন্ধকার দূর করা। ১৯৭১ সালে সাহিত্যে তাঁর নোবেল পুরস্কার পাওয়া ছিল মূলত এই আজীবন মানবতাবাদী দর্শনেরই এক বিশ্বজনীন স্বীকৃতি।

​বিশ্বসাহিত্যের অন্য মহানায়কদের পাশে দাঁড়ালে নেরুদার বিশেষত্ব আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। কবি টি এস এলিয়ট যেখানে আধুনিক নগর সভ্যতার অবক্ষয় ও ক্ষয়িষ্ণু রূপকে ব্যবচ্ছেদ করেছেন, কিংবা রাইনার মারিয়া রিলকে যেখানে আধ্যাত্মিক একাকীত্বের মাঝে উত্তর খুঁজছিলেন, নেরুদা সেখানে সম্পূর্ণ ভিন্ন পথে হেঁটেছেন। তিনি এলিয়টের মতো সমাজকে শুধু বন্ধ্যা বলেননি, বরং সেই বন্ধ্যাত্ব কাটানোর জন্য মানুষের যৌথ শক্তির ওপর ভরসা করেছেন, ব্যক্তিকেন্দ্রিক হাহাকারকে রূপান্তর করেছেন সামষ্টিক প্রতিরোধে। আবার লাতিন আমেরিকারই আরেক বিখ্যাত লেখক হোর্হে লুইস বোর্হেসের লাইব্রেরি ও বইয়ের পাতা কেন্দ্রিক জটিল বুদ্ধিবৃত্তিক গোলকধাঁধার বিপরীতে নেরুদার কবিতা ছিল মেঠো পথের ধুলোবালির মতো সহজ এবং মাটির গন্ধে ভরপুর। এ কারণেই গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস কোনো দ্বিধা ছাড়াই নেরুদাকে বলেছিলেন 'বিংশ শতাব্দীর যেকোনো ভাষার শ্রেষ্ঠ কবি'। নেরুদার শব্দের জাদু লাতিন আমেরিকার অন্ধকার ইতিহাসকে ভেদ করে এক নতুন ভোরের স্বপ্ন দেখিয়েছিল।

​দূর চিলির এই কবি বাঙালি পাঠকের কাছেও এক পরম আত্মীয়; কারণ ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলোতে যখন এ দেশের মানুষ পাকিস্তানি শোষকদের বিরুদ্ধে রক্তক্ষয়ী সংগ্রামে লিপ্ত, তখন প্যারিসে চিলির রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্বপালনকারী নেরুদা বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়ে বাঙালির আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকারের পক্ষে দৃঢ় বুদ্ধিবৃত্তিক সমর্থন জুগিয়েছিলেন। তিনি কেবল দূর থেকে সহানুভূতি জানাননি, বরং বিশ্বজনমত গঠনে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছিলেন। ১৯৭১ সালের এপ্রিল ও মে মাসে যখন মেক্সিকো ও লাতিন আমেরিকার বুদ্ধিজীবীরা বাংলাদেশের গণহত্যার বিরুদ্ধে সোচ্চার হচ্ছিলেন, তখন নেরুদা প্যারিসে বসেই চিলির বামপন্থী বুদ্ধিজীবী মহল ও ফরাসি সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে পাকিস্তান সরকারের এই বর্বরতার বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করেন। ১৯৭১ সালের অক্টোবর মাসে তিনি যখন সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন, তখন তাঁর সেই বৈশ্বিক মঞ্চের মর্যাদাকে তিনি শোষিত মানুষের পক্ষে, বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার মুক্তিকামী মানুষের অধিকারের সপক্ষে এক শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন। লাতিন আমেরিকার প্রগতিশীল আন্দোলনের দালিলিক ইতিহাসে এবং চিলির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন নথিপত্রে বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রতি তাঁর এই কুটনৈতিক ও নৈতিক সমর্থনের প্রমাণ মেলে, যা দুই ভিন্ন গোলার্ধের মানুষকে একই মানবিক বন্ধনে আবদ্ধ করেছিল।

​জীবনের শেষ দিনগুলোতে এই মহান কবিকে এক চরম মানবিক ট্র্যাজেডির মুখোমুখি হতে হয়েছিল। ১৯৭৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে জেনারেল পিনোশের নির্মম সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে চিলির গণতান্ত্রিক সরকারকে উৎখাত করা হয় এবং নেরুদার পরম বন্ধু, সমাজতান্ত্রিক প্রেসিডেন্ট সালভাদর আলেন্দেকে হত্যা করা হয়। এই শোক ও কর্কটরোগের মরণব্যাধি নিয়ে শয্যাশায়ী নেরুদার সান্তিয়াগোর বাড়িটি পিনোশের বর্বর সেনারা ভাঙচুর করে এবং তাঁর আজীবনের সংগৃহীত বই ও পাণ্ডুলিপি কাদায় ভিজিয়ে নষ্ট করে দেয়। ভাঙা ঘরে সেই ধ্বংসস্তূপের দিকে তাকিয়ে কবি শুধু বলেছিলেন, "এখানে একটিই ভয়ের জিনিস আছে—তা হলো আমার রক্ত" (Confieso que he vivido: Memorias)। এই ঘটনার মাত্র কয়েকদিন পর, ২৩ সেপ্টেম্বর স্বৈরশাসনের সেই রুদ্ধশ্বাস বন্দিদশায় চিলির সান্তিয়াগো সান্তা মারিয়া হাসপাতালে এই মহান কবির জীবনাবসান ঘটে।

​আজকের এই অস্থির, যুদ্ধকবলিত এবং তীব্র অসমতার একবিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়ে পাবলো নেরুদা আমাদের মাঝে আরও বেশি জীবন্ত, আরও বেশি প্রাসঙ্গিক। যখন পৃথিবীর কোনো না কোনো প্রান্তে ক্ষমতার লোভে সাধারণ মানুষের রক্ত ঝরছে, তখন নেরুদার Tercera residencia কাব্যগ্রন্থের উচ্চারণ—'এসো, দেখে যাও রাজপথের রক্ত!'—আমাদের ঘুমন্ত বিবেককে জাগিয়ে তোলে। অন্যদিকে, আজ যখন জলবায়ু সংকটে আমাদের চেনা প্রকৃতি ধ্বংসের মুখে, তখন তাঁর Canto General বা মহাজাগতিক সৃষ্টিতে চিলির মাটি ও প্রকৃতির প্রতি যে নিখাদ ভালোবাসা ফুটে উঠেছিল, তা আমাদের নতুন করে পৃথিবী বাঁচানোর তাগিদ দেয়। মৃত্যুর পর সান্তিয়াগোর রাজপথ দিয়ে যখন পিনোশের বুলেটের ভয় উপেক্ষা করে হাজারো মানুষের মিছিল তাঁর কফিন নিয়ে যাচ্ছিল, তখন স্বতঃস্ফূর্ত স্লোগান উঠেছিল—"পাবলো নেরুদা, তুমি আজো আমাদের মাঝে উপস্থিত!" নেরুদার প্রেম, বিদ্রোহ আর মানুষের প্রতি অগাধ বিশ্বাসের গান আজও শোষিত মানুষের মিছিলে প্রেরণা জোগায়; কারণ নেরুদা শুধু একটি নির্দিষ্ট সময়ের কবি নন, তিনি মানুষের চিরকালের মুক্তির সহযাত্রী।

(লেখক: গবেষক, সংগঠক, সংস্কৃতি কর্মী। ডেপুটি রেজিস্ট্রার, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়)

নিউজজি/নাসি

পাঠকের মন্তব্য

লগইন করুন

ইউজার নেম / ইমেইল
পাসওয়ার্ড
নতুন একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন
copyright © 2023 newsg24.com | A G-Series Company
Developed by Creativeers